Buxa Tiger Reserve

বক্সার জঙ্গলে শুরু তৃণভোজী, মাংসাশী প্রাণী গণনার কাজ! প্রথম দিনই নিজের অস্তিত্ব জানাল রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার

বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই সমীক্ষায় অংশ নিয়েছেন প্রায় ২০০ জন বনকর্মী। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে সব তথ্য মোবাইলের ‘এম-স্ট্রাইপস ইকোলজি’ অ্যাপে তুলে রাখা হচ্ছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:২৬
Share:

বক্সার জঙ্গলে মিলল বাঘের পায়ের ছাপ। — নিজস্ব চিত্র।

সারা দেশের মতো বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পেও চার বছর পরে শুরু হল গণনা। টানা ছ’দিন ধরে চলবে তৃণভোজী প্রাণীর গণনা এবং মাংসাশী প্রাণীর চিহ্ন সমীক্ষা৷ জঙ্গলের ভিতরে মোট ৮০টি এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে বনকর্মীরা হেঁটে বন্য প্রাণীর পায়ের ছাপ-সহ নানা চিহ্ন সংগ্রহ ও নথিভুক্ত করছেন। সমীক্ষায় বনকর্মীদের নজরে পড়েছে বাঘের পায়ের তাজা ছাপ। জঙ্গলের গভীরে এই চিহ্ন জনান দিচ্ছে, বক্সার গভীর জঙ্গলে এখনও বিচরণ করছে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার।

Advertisement

বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই সমীক্ষায় অংশ নিয়েছেন প্রায় ২০০ জন বনকর্মী। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে সব তথ্য মোবাইলের ‘এম-স্ট্রাইপস ইকোলজি’ অ্যাপে তুলে রাখা হচ্ছে। জঙ্গলের ভিতরে আগেই বসানো হয়েছে ২৫০ টির বেশি ক্যামেরা। সেই সব ক্যামেরায় ধরা পড়া ছবি বিশ্লেষণ করেই জানা যাবে বক্সার জঙ্গলে বাঘ-সহ অন্যান্য বন্যপ্রাণীর প্রকৃত সংখ্যা।

বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ডেপুটি ফিল্ড ডিরেক্টর (পূর্ব) দেবাশিস শর্মা বলেন, ‘‘সারা দেশের মতো বক্সা টাইগার রিজার্ভেও চার বছর অন্তর এই সমীক্ষা হয়। টানা ছয় দিন ধরে চলবে তৃণভোজী প্রাণী গণনা ও মাংসাশী প্রাণীর চিহ্ন সমীক্ষা। সমীক্ষার প্রথম দিনেই বনকর্মীদের নজরে পড়েছে একটি বাঘের পায়ের ছাপ।’’

Advertisement

নেওড়াভ্যালি জাতীয় উদ্যানের পরে বক্সার ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গলে বাঘের ছবি ধরা পড়েছিল। এই ব্যাঘ্র প্রকল্পে ১৯৯৮ সালের পরে ২০২১ সালে এবং সবশেষে ২০২৩ সালে ট্র্যাপ ক্যামেরায় বাঘের ছবি ধরা পড়ে ৷ এবার মিলল বাঘের পায়ের ছাপও ৷

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement