বাসের টিকিটে ‘কালোবাজারি’

সপ্তাহ দুয়েক ধরে মালদহ থেকে রেলপথে উত্তরবঙ্গ-সহ অসম, গুয়াহাটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে। কলকাতা থেকে ট্রেনগুলি আসছে মালদহ পর্যন্ত। মালদহ থেকে সড়ক পথে চলছে যাতায়াত

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩০ অগস্ট ২০১৭ ০১:৪৮
Share:

ফাইল চিত্র।

উত্তরবঙ্গের সঙ্গে রেল পরিষেবা এখনও স্বাভাবিক হয়নি। ফলে যাত্রীদের ভরসা এখনও সড়ক পথই। সেই সুযোগে রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমের টিকিট নিয়ে দেদার কালোবাজারি চলছে বলে অভিযোগ। ভোর থেকেই রোজ টিকিটের জন্য নিগমের মালদহ ডিপোয় লাইন পড়ছে। অথচ কাউন্টারের ভিতর থেকেই বাড়তি দামে টিকিট বিক্রি হয়ে যাচ্ছে, মঙ্গলবার সকালে নিগম কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখালেন যাত্রীরা। কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। তবে কালোবাজারির অভিযোগ মানতে নারাজ তাঁরা।

Advertisement

সপ্তাহ দুয়েক ধরে মালদহ থেকে রেলপথে উত্তরবঙ্গ-সহ অসম, গুয়াহাটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে। কলকাতা থেকে ট্রেনগুলি আসছে মালদহ পর্যন্ত। মালদহ থেকে সড়ক পথে চলছে যাতায়াত। তাই সপ্তাহ খানেক ধরে ভোর থেকেই উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমের মালদহ ডিপোতে ভিড় জমাচ্ছেন হাজার হাজার যাত্রী। কিন্তু অভিযোগ, ঘড়ির কাঁটা ন’টা গড়ালেই বাসও মিলছে না এবং দীর্ঘ ক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে হতাশ হচ্ছেন যাত্রীরা। সে জন্য কর্তৃপক্ষের উপরেই দায় চাপিয়েছেন তাঁরা।

মালদহ থেকে শিলিগুড়ির ভাড়া ১৯০ টাকা, রায়গঞ্জের ৭০ টাকা। কিন্তু যাত্রীদের অভিযোগ, বাড়তি টাকা নিয়ে কাউন্টারের ভিতর থেকেই কর্মীদের একাংশ টিকিট বিক্রি করে দিচ্ছেন। যার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও টিকিট পাচ্ছেন না অন্যরা। এ দিনও টিকিট না পেয়ে ডিপোর সামনে বিক্ষোভ দেখান যাত্রীরা।

Advertisement

যদিও অভিযোগ মানতে নারাজ ডিপো কর্তৃপক্ষ। জানা গিয়েছে, শিলিগুড়ি, রায়গঞ্জগামী মোট ৩০টি বাস রোজ চলাচল করছে ডিপো থেকে। প্রতিটি বাসে ৪৫টি করে সিট রয়েছে। ফলে রোজ ১৩৫০টিরও বেশি টিকিট দেওয়া হচ্ছে।

মালদহের ডিপো ইন-চার্জ গৌতম ধর বলেন, ‘‘যাত্রীদের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে কালোবাজারি কথা ঠিক নয়। আমাদের সাধ্য মতো আমরা পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement