coronavirus

আরও ১৬ পজ়িটিভ গৌড়বঙ্গে

দক্ষিণ দিনাজপুরে আক্রান্ত ওই চার জনের বাড়ি বংশীহারি, তপন, হিলি ও হরিরামপুর ব্লকে। উত্তর দিনাজপুরের আক্রান্ত ব্যক্তি রায়গঞ্জের বাসিন্দা বলে সূত্রে খবর। দুই দিনাজপুরে আক্রান্ত ওই পাঁচ জনই পরিযায়ী শ্রমিক।

Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ২০ জুন ২০২০ ০৬:৫১
Share:

প্রতীকী চিত্র

বকেয়া লালারসের রিপোর্ট আসতেই দক্ষিণ দিনাজপুরে আরও ৪ জন করোনা আক্রান্তের খোঁজ মিলল। উত্তর দিনাজপুরে নতুন করে ১ জনের পজিটিভ ধরা পড়েছে। আর মালদহে এ দিন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন আরও ১১ জন।

Advertisement

দক্ষিণ দিনাজপুরে আক্রান্ত ওই চার জনের বাড়ি বংশীহারি, তপন, হিলি ও হরিরামপুর ব্লকে। উত্তর দিনাজপুরের আক্রান্ত ব্যক্তি রায়গঞ্জের বাসিন্দা বলে সূত্রে খবর। দুই দিনাজপুরে আক্রান্ত ওই পাঁচ জনই পরিযায়ী শ্রমিক। দক্ষিণ দিনাজপুরের মুখ্য স্বাস্হ্য আধিকারিক সুকুমার দে জানান, এ দিন বুধবার পাঠানো নমুনার রিপোর্টও আসে।

উত্তর দিনাজপুরের মুখ্য স্বাস্হ্য আধিকারিক রবীন্দ্রনাথ প্রধান জানান, জেলার এই শ্রমিকের পজ়িটিভ রিপোর্ট এলেও তাঁর মধ্যে রোগের কোনও লক্ষণ নেই। এই নিয়ে উত্তর দিনাজপুরে মোট আক্রন্তের সংখ্যা বেড়ে হল ২২৫ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২০৪ জন।
এ দিনের ৪ জনকে নিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুরে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮৮ জন। তবে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫১ জন। জেলা স্বাস্হ্য দফতর জানায়, দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে এখন পাঠানো এবং বকেয়া মিলিয়ে অন্তত ৭ হাজার নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট মিলেছে।
মালদহ জেলায় পুরাতন মালদহ শহরেও এ বার সংক্রমণ বাড়ছে। শুক্রবার জেলায় যে ১১ জন আক্রান্ত হন, এর মধ্যে চারজনই পুরাতন মালদহের। স্বাস্থ্য দফতর জানায়, দু’জন ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাচামারি পালপাড়া, একজন ৯ নম্বর এবং আরেকজন ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তাঁদের এ দিন জেলা কোভিড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আক্রান্ত বছর আঠেরোর ওই যুবতী এবং তাঁর পরিবার ক’দিন আগেই দিল্লি থেকে ফিরেছে।
এ দিন পজ়িটিভ রিপোর্ট এসেছে জেলা স্বাস্থ্য দফতরের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরও। তিনি ইংরেজবাজারের ৩ নম্বর গভর্মেন্ট কলোনির বাসিন্দা। বাকিদের বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুর ২, কালিয়াচক ১ ও ৩ ব্লকে। কালিয়াচক ৩ ব্লকে আক্রান্তদের একজন পুলিশের হোমগার্ড পদে কর্মরত। এ নিয়ে জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৫৯ জন। ২৪৫ জন আক্রান্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ভূষণ চক্রবর্তী বলেন, ‘‘আক্রান্তদের
চিকিৎসা চলছে।’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement