দিল্লিতে পর্যটনমেলায় টয় ট্রেনের স্টলে কর্মীরা। ছবি দার্জিলিং হিমালয়ান রেলের সৌজন্যে।
ঐতিহ্যবাহী টয় ট্রেন পরিষেবা আরও বেশি করে আকর্ষণীয় করে তুলতে কর্পোরেট ধাঁচে পদক্ষেপ করতে শুরু করেছেন দার্জিলিং হিমালয়ান রেল (ডিএইচআর) কর্তৃপক্ষ। বিভিন্ন পরিষেবার সম্ভার নিয়ে নয়াদিল্লিতে এই প্রথম এশিয়ার অন্যতম বড় পর্যটন মেলা, ‘সাউথ এশিয়া ট্র্যাভেল অ্যান্ড টুরিজ়ম এক্সচেঞ্জ’-এ হাজির হয়েছেন তাঁরা। বুধবার দিল্লির ওই মামলায় উপস্থিত হয়ে ‘সার্ক’ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির পর্যটক টানাই রেলের লক্ষ্য বলে জানান সংস্থার কার্তারা।
গত কয়েক মাসে দার্জিলিঙের বাসিন্দাদের জড়িয়ে চালু হয়েছে পূর্ণিমা রাতে টয় ট্রেনে চেপে চা পাতা তোলার দৃশ্য দেখার মতো পরিষেবা। বাতাসিয়া লুপে চালু হয়েছে ‘জয় রাইড’। বিয়ে, অন্নপ্রাশনের মতো একাধিক অনুষ্ঠানে ‘চার্টার্ড’ পরিষেবা চালু করার ভাবনা রয়েছে টয় ট্রেনে। তিন দিনের ওই পর্যটন মেলায় ডিএইচআর-এর নতুন পরিষেবাগুলিকেই প্রচারে রাখা হচ্ছে।
সংস্থার অধিকর্তা ঋষভ চৌধুরী বলেন, ‘‘এ বার দার্জিলিং হিমালয়ান রেলের লক্ষ্য সার্ক গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির পর্যটকদেরও টয় ট্রেনের আকর্ষণে শৈল শহরে এনে হাজির করানো।’’ রেল সূত্রের খবর, ‘সার্ক’ গোষ্ঠীর দেশগুলির মধ্যে বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান থেকে অল্প সংখ্যায় পর্যটক আসেন দার্জিলিঙে। তাঁরা ছাড়াও, আফগানিস্তান, মলদ্বীপ, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কার পর্যটকদের কাছে বিভিন্ন পরিষেবা তুলে ধরবে ডিএইচআর।
১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো থেকে ঐতিহ্যবাহী ট্রেন পরিষেবার (সাংস্কৃতিক) খেতাব পায় ডিএইচআর। কর্তৃপক্ষের দাবি, গত এক বছরে স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং ব্যবসায়ীদের ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে টয় ট্রেনের নতুন নতুন পরিষেবা চালু হয়েছে। সেগুলি জনপ্রিয়ও হচ্ছে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে