জলপাইগুড়ি পৌরসভা। —ফাইল চিত্র।
শহরের কোথায় কোন বাড়িতে কে বা কারা থাকছে, সে সব বিস্তারিত খোঁজ নেবে জলপাইগুড়ি পুরসভা। সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে এই তথ্য জোগাড় করা জরুরি বলে দাবি পুর কর্তৃপক্ষের। শহরের ভাড়া বাড়িতে কারা থাকছেন সেই তথ্যই নেবে পুর কর্তৃপক্ষ। পুরসভার দাবি, তথ্য জোগাড় করতে দু’রকম পদ্ধতি নেওয়া হচ্ছে। প্রথমত, পুরসভার যে কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে নানা সমীক্ষা বা প্রচার করতে হয় তাঁদের মাধ্যমে ভাড়া বাড়ির তথ্য নেওয়া হবে। দ্বিতীয়ত, প্রতিটি বাড়ির মালিকের কাছে আবেদন করা হবে তাঁদের বাড়িতে কারা ভাড়া রয়েছেন সেই সম্পর্কিত তথ্য পুলিশকে জানাতে।
জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশ সূত্রের দাবি, ভাড়াটিয়া সংক্রান্ত তথ্য জানানোর আবেদন দীর্ঘদিন থেকেই করা হয়। এক পুলিশ কর্তার দাবি, “বারবার বলা হয়েছে ভাড়াটিয়া তথ্য জানাতে। অনেকেই তাতে কান দেন না। পুরসভা যদি সক্রিয় হয় তবে ভাল।”
শনিবার পুরসভার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন জলপাইগুড়ি পুরসভার উপ পুরপ্রধান সৈকত চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “যে কোনও রকম অপরাধমূলক কাজ রুখতে এই তথ্য প্রয়োজন। কেউ হয়ত কোথাও বাড়ি ভাড়া নিয়ে নিশ্চিন্তে কোনও অপরাধের পরিকল্পনা করছেন, বাইরে বের হচ্ছে না। এই সব তথ্য তখন জানা যাবে যখন কে কোন বাড়িতে থাকে সেটা প্রশাসনের জানা থাকবে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।”
আগামী সোমবার থেকেই পুরসভা ভাড়া বাড়ির তথ্য সংগ্রহে নেমে পড়বে বলে জানিয়েছে। পুর এলাকায় কোন বাড়ির মালিক কারা, কারা থাকেন সে সব তথ্য পুরসভার কাছে রয়েছে। ভোটার তালিকাতেও তাঁদের নাম রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে যাঁরা ভাড়া রয়েছেন তাঁদের তথ্যও কম-বেশি পুরসভার কাছে রয়েছে বলে দাবি। কিন্তু হঠাৎ যাঁরা ভাড়া নিয়েছেন অথবা যে বাড়িতে দীর্ঘসময় এক ভাড়াটিয়ারাখা হয় না সেখানে কে বা কারা থাকছেন তার কোনও তথ্যই প্রশাসনের কাছে নেই বলে দাবি। বিশেষ করে এক-দু বছর ভাড়া থাকলে সেই এলাকার ভোটার তালিকায় নামও তোলেন না কেউ। এদেরই তথ্য চাইছে পুরসভা।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে