Phoolhar River Dam

নদীবাঁধের রাস্তায় ভারী গাড়ির জটে নাভিশ্বাস

হাসপাতাল, বাজার, থানা, বিডিও অফিসে যেতেও ভরসা ওই রাস্তা। সম্প্রতি রাস্তা দিয়ে ভারী যান চলাচলের অনুমতি দেওয়ার পরে ঝাড়খন্ড থেকে পাথর-বালি বোঝাই ট্রাক বিহারে যাতায়াত করছে।

বাপি মজুমদার 

শেষ আপডেট: ০২ মে ২০২৬ ০১:২৫
Share:

হরিশ্চন্দ্রপুরের ফুলহার বাঁধরোডে এমনই যানজটে জেরবার স্থানীয়রা। —ফাইল চিত্র।

ফুলহার নদী বাঁধের রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করছে পাথর-বালি বোঝাই ট্রাক। তাতে শুধু রাস্তার ক্ষতিই নয়, বাঁধের ছোট রাস্তায় ট্রাক যাতায়াতে যানজটের জেরে নাভিশ্বাস উঠেছে স্থানীয়দের। মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের ফুলহার বাঁধের ওই রাস্তাটি বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের ‘লাইফ লাইন’ বলে পরিচিত।

বছর পাঁচেক আগে ফুলহার বাঁধের রাস্তাটি নতুন করে তৈরি হয়। হরিশ্চন্দ্রপুরের ঢেলাই মোড় থেকে বিহারের দিল্লি-দেওয়ানগঞ্জ পর্যন্ত ১৮ কিলোমিটার রাস্তাটি দিয়ে ইসলামপুর, দৌলতনগর, ভালুকা পঞ্চায়েতের বাসিন্দারা যাতায়াত করেন। হাসপাতাল, বাজার, থানা, বিডিও অফিসে যেতেও ভরসা ওই রাস্তা। সম্প্রতি রাস্তা দিয়ে ভারী যান চলাচলের অনুমতি দেওয়ার পরে ঝাড়খন্ড থেকে পাথর-বালি বোঝাই ট্রাক বিহারে যাতায়াত করছে। সংকীর্ণ রাস্তায় বড় ট্রাক যাতায়াত করায় যানজটে নাভিশ্বাস উঠেছে স্থানীয়দের। রাস্তাটিকে চওড়া করা হোক বলে দাবি তুলেছেন স্থানীয়েরা। দাবি মানা না হলে আন্দোলনেরও হুমকি দেওয়া হয়েছে। আগে ওই রাস্তায় ভারী যানবাহন নিষিদ্ধ ছিল। সম্প্রতি অনুমতি দেওয়া হয়। কেন রাস্তা চওড়া না করে ভারী যানবাহন যাতায়াতের অনুমতি দেওয়া হল সেই প্রশ্ন উঠেছে। পাশাপাশি দু’দিকে বিহারের দিল্লি-দেওয়ানগঞ্জ ও ঢেলাই মোড়ে নাকা পয়েন্ট থাকলেও পুলিশ কী করছে— সেই প্রশ্ন উঠেছে। এসডিপিও (চাঁচল) সোমনাথ সাহা বলেন, “রাস্তা দিয়ে ভারী যান যাতায়াতের অনুমতি রয়েছে। ফলে পুলিশ তাদের আটকাতে পারে না।” স্থানীয় বাসিন্দা ওয়াসিম রেজা বলেন, “যানজটের জন্য সময়ে অ্যাম্বুল্যান্স হাসপাতালে পৌঁছতে পারে না। পড়ুয়াদের আটকে থাকতে হয়। রাস্তা চওড়া করা ছাড়া বিকল্প নেই।” যদিও সেচ দফতরের এক আধিকারিক বলেন, “বাঁধের রাস্তা চওড়া করার সুযোগ নেই। রাস্তা চওড়া করতে হলে আগে বাঁধ চওড়া করতে হবে। তা সময়সাপেক্ষ।” চাঁচলের মহকুমাশাসক ঋত্বিক হাজরা বলেন, “বিষয়টি নিয়ে সেচ দফতরের সঙ্গে কথা বলব। আর যানজট এড়ানোর বিষয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলব।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন