Mahakal Mandir in Siliguri

১৭ একর জমির উপর মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাসের আর ৪ দিন, মিটে গেল জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়া

মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শিলান্যাস অনুষ্ঠান ঘিরে থাকছে নানা ব্যবস্থাপনা। অনুষ্ঠানের পরিচালনা এবং আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে হিডকো-কে। জেলা স্তরের সমস্ত দফতর, থাকছে পূর্ত দফতর-সহ এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সমস্ত দফতর উপস্থিত থাকবে অনুষ্ঠানে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:৪১
Share:

মহাকাল মন্দিরের জন্য নির্ধারিত জমিতে কাজ চলছে। —নিজস্ব ছবি।

আর তিন দিন পর শিলিগুড়িতে মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস করার কথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এখন চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রস্তুতি চলছে। সোমবার মন্দিরের শিলান্যাস এবং খুঁটিনাটি নিয়ে বৈঠক সারলেন মেয়র গৌতম দেব।

Advertisement

শিলিগুড়ি পুরসভা সূত্রে খবর, ১৭ একর জমির উপর তৈরি হবে মহাকাল মন্দির। জমি হস্তান্তরের কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। রুক্ষ জমিকে সমতলভূমিতে পরিণত করা হয়েছে৷ এসজেডিএ, মহকুমা পরিষদের সদস্য-সহ বিভিন্ন সংস্থাকে নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠক শেষে মেয়র বলেন, ‘‘আগামী ১৬ জানুয়ারি মন্দিরের শিলান্যাস হবে। তবে ঠিক কখন বা কোন সময়ে তা এখনই বিস্তারিত ভাবে বলা সম্ভব নয়।’’

তবে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শিলান্যাস অনুষ্ঠান ঘিরে থাকছে নানা ব্যবস্থাপনা। অনুষ্ঠানের পরিচালনা এবং আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে হিডকো-কে। জেলা স্তরের সমস্ত দফতর, থাকছে পূর্ত দফতর-সহ এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সমস্ত দফতর উপস্থিত থাকবে অনুষ্ঠানে৷ জনপ্রতিনিধিরা ছাড়াও উপস্থিত থাকবেন ‘চেম্বার অফ কমার্স’-সহ সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। সাধারণ মানুষ থাকতে পারবেন শিলান্যাস অনুষ্ঠানে। ভিড়ের কথা মাথায় রেখে নানা প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। শিলিগুড়ির মেয়র বলেন, ‘‘অনুষ্ঠানপ্রাঙ্গণের বাইরেও অতিরিক্ত এলইডি স্ক্রিন লাগানো থাকবে। লাউডস্পিকারের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। কারণ, সাধারণ মানুষের মধ্যে মহাকাল মন্দির নিয়ে উদ্দীপনা রয়েছে। স্থানীয়েরা যাতে পুরো ঘোষণা শুনতে পান সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’’

Advertisement

বৈঠকশেষে গৌতম জানান, মহাকাল মন্দির হলে উত্তরবঙ্গের অর্থনীতির ভিত আরও শক্ত হবে। শিলিগুড়ি শহর থেকে গ্রামাঞ্চলের মধ্যে অর্থনীতি চাঙ্গা হবে।

তবে বাধ সাধছে রেলগেট। মন্দিরস্থলের প্রবেশপথের শুরুতেই রয়েছে মাটিগাড়ার অন্যতম ওই রেলগেটটি। সেই বিষয়টি নিয়ে পরিকল্পনা করা হচ্ছে। মেয়র বলেন, ‘‘উদ্বোধনের দিন স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টা নজরে রাখবে৷ তবে মন্দির তৈরির পর এ নিয়েও ভাবনা রয়েছে৷ ওভারব্রিজ তৈরি করে যাতায়াতের মসৃণ ব্যবস্থা করা হবে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement