—প্রতীকী চিত্র।
দেশলাই চাওয়াকে কেন্দ্র করে শুরু বচসা। তার জেরে শেষমেশ এক যুবককে ছুরি মারার অভিযোগ উঠল কোচবিহারের কদমতলা এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে খবর, ক্লাবের সামনেই দাঁড়িয়ে ছিলেন গৌরাঙ্গ দে সরকার। সেই সময় তাঁর পুত্রের বয়সি চিরঞ্জিত অধিকারী ওরফে রাজা এসে ধূমপান করার জন্য দেশলাই চান। এতে দু’জনে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। অভিযোগ, গৌরাঙ্গকে আক্রমণ করে বসেন চিরঞ্জিত। এই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন গৌরাঙ্গের ছেলে গৌরবচন্দ্র দে সরকার। বাবাকে মারধর করতে দেখে আটকাতে যান তিনি। অভিযোগ, তখন অভিযুক্ত চিরঞ্জিত তাঁর পেটে ছুরি ঢুকিয়ে দেন। এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন গৌরব।
স্থানীয়েরা তড়িঘড়ি গৌরবকে একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে নিয়ে যান। এ বিষয়ে গৌরবের মা স্বর্ণালী দে সরকার বলেন, ‘‘আমার স্বামী স্থানীয় ক্লাবের সামনেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। আমি বাড়িতে ছোট ছেলেকে নিয়ে পড়তে বসিয়েছিলাম আর বড় ছেলে গৌরব ছাদে মোবাইল নিয়ে গেম খেলছিল। এর পর হঠাৎ চিৎকার চেঁচামেচি শুনে আমি বাইরে বেরিয়ে আসি। স্বামীর সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন রাজা। আমার স্বামীকে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে আমার বড় ছেলে গৌরব ঘটনাস্থলে গেলে তার পেটে ছুরি ঢোকানো হয়। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে আমরা কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।’’