বাক্সবন্দি আম গাড়ি করে বিদেশে পাঠানোর আগে মালদহের বাগানে। — নিজস্ব চিত্র।
মালদহের আম এ বার পাড়ি দিল ইতালি ও নেদারল্যান্ডসে। মালদহের সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট ফর সাব ট্রপিক্যাল হর্টিকালচার (সিআইএসএইচ)-এর অন্তর্গত কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্র এবং কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রকের সংস্থা কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য পণ্য রফতানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (অ্যাপেডা)-র যৌথ ব্যবস্থাপনায় এ বার প্রায় ১০ টন মালদহের হিমসাগর, আম্রপালি, লক্ষ্মণভোগ ও ল্যাংড়া আম ইতালি এবং নেদারল্যান্ডসে গিয়েছে। ব্যাগিং পদ্ধতিতে চাষ করা গুণগত মানসম্পন্ন আমই এ বার বেশি পাঠানো হয়েছে। আরও অন্তত দশ টন আম সৌদি আরব-সহ অন্য কয়েকটি দেশে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
পশ্চিমবঙ্গে আমের জেলা বলেই পরিচিত মালদহ। এ বারও প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ টন আম উৎপাদিত হয়েছে জেলায়। মালদহের আমের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও প্রায় প্রতিবছরই অল্পবিস্তর আম রফতানি হয়ে আসছে বিদেশের বাজারে। তবে এ বার জেলার অন্তত ৫০০ চাষিকে ব্যাগিং পদ্ধতিতে আম চাষে উদ্বুদ্ধ করেছিল কেন্দ্রীয় কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্র এবং জেলা উদ্যানপালন দফতর। আর সেই ব্যাগিং পদ্ধতিতে চাষ করা আমই এ বার বাজিমাত করছে দিল্লির আম-মেলা থেকে শুরু করে বিদেশের বাজারও। কেন্দ্রীয় কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের প্রধান দুষ্যন্তকুমার রাঘব বলেন, ‘‘রফতানির সম্ভাবনা জোরদার করার লক্ষ্যে এ বার আগে থেকেই আমরা গুড এগ্রিকালচারাল প্র্যাকটিসেস (জিএপি) সম্পর্কে সচেতন করে চাষিদের ব্যাগিং পদ্ধতিতে আম চাষে উৎসাহিত করেছিলাম। সেই আমেরই ১০ টন এবার ইতালি ও নেদারল্যান্ডসে গিয়েছে।’’ অ্যাপেডা সূত্রে জানা গিয়েছে, আরও ১০ টন আম এ বার সৌদি আরব-সহ অন্য কিছু দেশে আম্রপালি, ফজলি ও লক্ষ্মণভোগ আম পাঠানোর চেষ্টা চলছে। অ্যাপেডার পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় প্রধান সীতাকান্ত মণ্ডল বলেন, ‘‘আমরাও চাই মালদহের আম যাতে বেশি করে বিদেশে রফতানি হয়। সেই চেষ্টাই চলছে।’’ মালদহ ম্যাঙ্গো মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি উজ্জ্বল সাহা বলেন, ‘‘এ বার গুণগতমান সম্পন্ন আম উৎপাদনের জন্য বিদেশের বাজারে মালদহের রফতানির দুয়ার খুলেছে বেশি।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে