দলীয় দফতরে বসেই ভোটে ‘নজরদারি’

ভোটের দিন পার্টি অফিসে বসেই ইসলামপুরে নজরদারি চালালেন রাজ্যের জনশিক্ষা ও গ্রন্থাগার মন্ত্রী আবদুল করিম চৌধুরী। শনিবার সকালে ইসলামপুরের পুরাতন পল্লীতে নিজের কেন্দ্রে ভোট দিয়েই সোজা পৌঁছে যান পুরাতন বাসস্ট্যান্ডের পার্টি অফিসে। সেখানে বসেই দিনভর খোঁজ রাখলেন প্রতিটি ওয়ার্ডের। টেলিফোনে কখনও খবর নিলেন কখনও প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিলেন দলীয় কর্মীদের। বললেন, ‘‘প্রচার শেষ। ভোটের দিন ভোট গ্রহণ কেন্দ্র গুলিতে বা অন্যান্য এলাকায় গেলে বিরোধীরা প্রশ্ন তুলতে পারে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ এপ্রিল ২০১৫ ০২:৩২
Share:

ইসলামপুরে গ্রন্থাগারমন্ত্রী। ছবি: অভিজিৎ পাল।

ভোটের দিন পার্টি অফিসে বসেই ইসলামপুরে নজরদারি চালালেন রাজ্যের জনশিক্ষা ও গ্রন্থাগার মন্ত্রী আবদুল করিম চৌধুরী।

Advertisement

শনিবার সকালে ইসলামপুরের পুরাতন পল্লীতে নিজের কেন্দ্রে ভোট দিয়েই সোজা পৌঁছে যান পুরাতন বাসস্ট্যান্ডের পার্টি অফিসে। সেখানে বসেই দিনভর খোঁজ রাখলেন প্রতিটি ওয়ার্ডের। টেলিফোনে কখনও খবর নিলেন কখনও প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিলেন দলীয় কর্মীদের। বললেন, ‘‘প্রচার শেষ। ভোটের দিন ভোট গ্রহণ কেন্দ্র গুলিতে বা অন্যান্য এলাকায় গেলে বিরোধীরা প্রশ্ন তুলতে পারে। তাই পার্টি অফিসে বসেই খোঁজ খবর রেখেছি।’’

এদিন সাড়ে ১০ টা নাগাদ নিজের দুই ছেলে মেহেতাব ও ইমদাদকে নিয়ে ভোট দিতে যান মন্ত্রী আবদুল করিম চৌধুরী। ভোট দেওয়ার পর তিনি চলে যান নিজের পার্টি অফিসে। তবে অন্যান্য দিনের মতো এলাকার কর্মীদের সেখানে বিশেষ দেখা যায় নি। এলাকায় শান্তিপূর্ণ ভাবেই ভোট মিটেছে বলে দাবি করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘‘অনেক দিন ধরেই প্রতিটি বাড়ি বাড়ি প্রচার করেছি. আশা করি ভোটের ফল ভালই হবে।’’

Advertisement

এই পুরসভায় ভোট নিয়ে তেমন কোনও অভিযোগ করে নি বিরোধীরা। বুথ দখলেরও কোন অভিযোগ নেই। তবে সকালের দিকে বেশির ভাগ এলাকাতে রাজ্য পুলিশ দেখা গেলেও, সামান্য ভিড় হলেই সেখানে পৌঁছে যাচ্ছিল বিএসএফ। তবে ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এক জন ভোটারের ভোটদানে দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস ও তৃণমূলের প্রার্থীদের মধ্যে বিবাদ বাধে। পরে পুলিশ ও ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের হস্তক্ষেপে সমস্যা মিটে যায়।

৪ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস প্রার্থী গুরুদাস সাহা বলেন, ‘‘পুর এলাকার বাইরের কিছু লোক জড় হয়েছিল। তবে তাঁরা কিছু ঘটাতে পারেনি কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভয়ে।’’ ভোট প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পূর্ণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসলামপুর পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান কানাইয়ালাল অগ্রবাল। তিনি বলেন, ‘‘কোনও এলাকা থেকে কোনও অভিযোগ পাইনি। শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট হয়েছে। এতে প্রশাসনকে ধন্যবাদ দিতে হয়।’’

অপর দিকে সিপিএম এর ইসলামপুর লোকাল কমিটির সম্পাদক বিকাশ দাস বলেন, গোলমালের আশঙ্কা ছিল। তবে বিএসএফ আসায় কোন সমস্যা হয় নি, খুব ভাল মতোই নির্বাচন সম্পূর্ণ হয়েছে।’’বিজেপির ইসলামপুর টাউন সাধারণ সম্পাদক সুরজিৎ সেন বলেন, ‘‘এক দুটি ছোট ঘটনা ছাড়া শান্তি পূর্ণ ভাবেই ভোট প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়েছে।তবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্যই শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট হয়েছে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement