প্রতীকী ছবি
অ্যাম্বুল্যান্স না পেয়ে সাইকেল চালিয়ে হাসপাতালে হাজির কোভিড পজ়িটিভ রোগী। এমনকি অ্যাম্বুল্যান্স না পেয়ে বাড়িতেও দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়েছে রোগীদের। সমস্যা মেটাতে আরও একটি অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা চালু করল ইংরেজবাজার পুরসভা। সোমবার দুপুরে তার উদ্বোধন করলেন পুর-প্রশাসক নীহাররঞ্জন ঘোষ।
যদিও করোনা মোকাবিলায় পুরসভার ভুমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। অভিযোগ, সংক্রমণ ধরা পড়লেও কয়েকটি এলাকা স্যানিটাইজ়ও করা হচ্ছে না। বাড়ি বাড়ি গিয়ে থার্মাল স্ক্রিনিংও করা হচ্ছে না। যদিও তৎপরতার সঙ্গেই কাজ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নীহার। তিনি বলেন, ‘‘এ দিন আরও একটি অ্যাম্বুল্যান্স চালু হল। নিয়মিত এলাকা স্যানিটাইজ়ও হচ্ছে।’’
ইতিমধ্যে, শহরে সংক্রমণ সাড়ে চারশো ছাড়িয়েছে। একাধিক মৃত্যুও ঘটেছে ইংরেজবাজার শহরে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরে কারও সংক্রমণ ধরা পড়লে উপসর্গ না থাকলে সেই রোগীকে ভর্তি করা হবে মালদহ মডেল মাদ্রাসায়। উপসর্গ থাকলে ভর্তি করা হচ্ছে কোভিড হাসপাতালে। তবে অনেক সময় শহর এলাকার কোভিড আক্রান্তকে হাসপাতাল বা সেফ হাউজ়ে পৌঁছনো নিয়ে স্বাস্থ্য দফতর ও পুরসভার মধ্যে টানাপড়েন হয় বলে অভিযোগ। এমন অবস্থায় রোগীদের অনেককে বাড়িতেই দীর্ঘ ক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়েছে। অনেক সময় সেফ হাউজ়ে নিজেরাই পৌঁছেছেন বহু রোগী।
মাসখানেক আগে পুরসভার তরফে একটি অ্যাম্বুল্যান্স চালু করা হয়েছিল। তবে তা পর্যাপ্ত নয়। কারণ এক দিনে একাধিক আক্রান্তের হদিশ মিলেছে শহরে। পুরসভার বিদায়ী কাউন্সিলর সিপিএমের দুলালনন্দন চাকি বলেন, ‘‘করোনা নিয়ে কোনও পরিকল্পনাই নেই পুরসভার।’’
এ দিন নীহার বলেন, ‘‘একটি ট্রোল ফ্রি নম্বর চালু করা হয়েছে। সেই নম্বরে ফোন করলে পুরসভার অ্যাম্বুল্যান্স পৌঁছে যাবে।’’