বেহাল কানকি বেসিক স্কুল। নিজস্ব চিত্র।
এক সময়ে এলাকার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ও সুপরিচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চাকুলিয়ার কানকি বেসিক স্কুল রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে আগাছা ও ঝোপঝাড়ে ঢেকে গিয়েছে। এই অবস্থায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেনস্থানীয় বাসিন্দা, অভিভাবক এবং প্রাক্তনীরা।
বর্তমানে স্কুলে প্রায় ২০০ জন পড়ুয়া রয়েছে। রয়েছেন ছয় জন শিক্ষক-শিক্ষিকা ও দু’জন পার্শ্বশিক্ষক। স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, সীমানা প্রাচীর না থাকা নানা সমস্যার মূল কারণ। বিষয়টি একাধিক বার জেলা প্রশাসনেজানানো হয়েছে। তবে স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ চোখে পড়েনি। স্থানীয়দের অভিযোগ, সীমানা প্রাচীর না থাকায় রাতে বহিরাগতদের অবাধ যাতায়াত চলে স্কুল চত্বরে। প্রায় প্রতিদিনই স্কুল প্রাঙ্গণে মদের বোতল, প্লাস্টিকের গ্লাস ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায়। অভিযোগ, রাতের বিদ্যালয় চত্বর অসামাজিক কর্মকাণ্ডের নিরাপদ আস্তানায় পরিণত হয়েছে। উদ্বেগ বাড়িয়েছে স্কুলের পাশেই গার্লস হস্টেলের অবস্থান। এমন পরিবেশ পড়ুয়াদের পাশাপাশি হস্টেলের আবাসিকদের নিরাপত্তা নিয়েও বড় প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে। অভিভাবকদের একাংশ জানিয়েছেন, সন্তানদের স্কুলে পাঠানো নিয়ে তাঁরা উদ্বিগ্ন। বিদ্যালয়ের শিক্ষা-পরিবেশ যেমন বিঘ্নিত হচ্ছে, তেমনই নিরাপত্তা নিয়েও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এলাকার সচেতন নাগরিকদের দাবি, অবিলম্বে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের আগাছা ও জঙ্গল পরিষ্কার করা, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা করা, স্কুল ঘিরে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ এবং রাতের বেলায় পুলিশি টহল ও প্রশাসনিক নজরদারি বাড়ানো হোক। তাঁদের মতে, পড়ুযাদের স্বার্থে এবং বিদ্যালয়ের হারানো পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপই এখন সময়ের দাবি। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষিকা কানিজ ফাতেমা বলেন, ‘‘বিষয়টি জেলা শিক্ষা দফতরে জানিয়েছি।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে