অসমাপ্ত সেতুর কাজ শেষ করার দাবিতে মঙ্গলবার পথ অবরোধে শামিল হয়েছিলেন করলাভ্যালি চা বাগানের শ্রমিকেরা। বৃহস্পতিবার সেতুর কাজ শুরু হওয়ায় খুশির হাওয়া বাগানের শ্রমিক মহল্লায়। নিজস্ব চিত্র
শিলিগুড়ি শহরের বিভিন্ন এলাকায় ফাঁকা জমি এবং বিল্ডারের তৈরি অসমাপ্ত আবাসনে বৃষ্টির জল জমতে শুরু করেছে বলে অভিযোগ। সেখান থেকে বিভিন্ন এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়ে গিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস মাঝপথে পুরবোর্ড ছেড়ে দেওয়ায় বর্তমানে এলাকাগুলিতে পুর প্রতিনিধিরাও নেই। যে কারণে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। সমস্যার কথা জানিয়ে শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের মানুষ সামাজিক মাধ্যমে নিজেদের ক্ষোভ ব্যক্ত করতে শুরু করেছেন। জমা জলে মশার লার্ভা থাকায় ডেঙ্গির আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। শিলিগুড়ির পুর কমিশনার বীর বিক্রম রাই বলেন, ‘‘এই বিষয়গুলি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে আধিকারিকদের এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলেছি। আমি শিলিগুড়িতে ফিরে বিষয়টি দেখছি।’’
বর্ষার মরসুম হাওয়ায় শিলিগুড়ি শহরের বিভিন্ন এলাকায় ফাঁকা জমিগুলিতে বৃষ্টির জল জমে থাকছে। আট দিনেরও বেশি সময় ধরে জল জমে থাকায় এখানে মশা লার্ভা তৈরি হচ্ছে। সম্প্রতি শিলিগুড়ি পুরসভার ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সুমন দে রায় নিজের সমাজ মাধ্যমের পাতায় এই সমস্যার কথা জানিয়েছেন। তাঁর বাড়ির পাশেই একটি জমি প্রমোটিং করার জন্য এক বিল্ডার নিয়ে রেখেছেন। গত তিন মাস ধরে ওই জায়গায় গর্ত করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ। গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে ওই গর্তগুলি জলে ভরাট হয়ে গিয়েছে। এর জেরে গর্তের জলের মধ্যে মশার লার্ভা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি পোকামাকড় জানলা দিয়ে ঘরে ঢুকে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই ব্যক্তি। তাঁর ঘরে তিন মাসের সন্তান রয়েছে। পোকামাকড় এবং মশার উৎপাতে ঘরের জানলা খোলা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ ওই ব্যক্তির। পুর প্রতিনিধিও নেই সহযোগিতার জন্য কার কাছে যাবেন, তা জানতেই সমাজ মাধ্যমে সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
তবে শুধু ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডই নয় পুরসভার ৩১,৩২,৩৩, ১৭, ৮-সহ একাধিক এলাকায় একই পরিস্থিতি। তবে শুধু ফাঁকা জমিতেই নয়, বিভিন্ন এলাকায় রাখা টায়ার, বাড়ির ছাদেও বিভিন্ন এলাকায় জল জমে থাকছে বলে অভিযোগ। তাই অবিলম্বে সেগুলি পরিষ্কার করার দাবি উঠেছে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে