ইংরেজবাজারের টাউনহলেও মালদহ জেলা বিজেপির সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ছিল। নিজস্ব চিত্র।
রায়গঞ্জে দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে চরমে উঠল বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। অন্য দিকে, বিজেপি বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী তৃণমূলে ফেরার পরে এ দিন রায়গঞ্জে ফেরেন। তাঁকে ঘিরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন তাঁর অনুগামী ও তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। তাঁকে নিয়ে মোটরবাইক মিছিল ও হেঁটে মিছিল করা হয়। তবে ওই কর্মসূচিতে রায়গঞ্জ পুরসভার তৃণমূলের উপ পুরপ্রধান অরিন্দম সরকার, রায়গঞ্জ শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর অরুণ চন্দ ছাড়া জেলা, রায়গঞ্জ শহর ও ব্লক স্তরের কোনও নেতাকে দেখা যায়নি।
যদিও রায়গঞ্জ ব্লক ১ তৃণমূল সভাপতি মানসকুমার ঘোষ, রায়গঞ্জ শহর তৃণমূল সভাপতি প্রিয়তোষ মুখোপাধ্যায় ও পুরপ্রধান সন্দীপ বিশ্বাস বলেন, “তাঁর অনুগামীরা এ দিন মিছিল করেছেন। দলের তরফে তাঁকে নিয়ে পরে কর্মসূচি হবে।” কৃষ্ণরও দাবি, এ দিন অনুগামীরা আবেগে আচমকা ওই কর্মসূচি আয়োজন করেন। তাঁকে নিয়ে জেলা তৃণমূলের ঘোষিত কোনও কর্মসূচি ছিল না।
এ দিন বিজেপির জেলা কমিটির তরফে সুকান্ত ও দিলীপকে সংবর্ধনা ও বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে আবার বয়কট করেন বিজেপির প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ লাহিড়ী ও তাঁর অনুগামীরা। বিশ্বজিৎ বলেন, “এ দিনের কর্মসূচিতে দলের জেলা নেতৃত্ব আমাকে ও আমার অনুগামীদের আমন্ত্রণ জানাননি।”
যদিও সুকান্তর বক্তব্য, “দলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই।” কৃষ্ণকে বিঁধে সুকান্ত বলেন, “কৃষ্ণবাবুর নৈতিকতা বোধ থাকলে তাঁর বিজেপির বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া উচিত।” কৃষ্ণর পাল্টা বক্তব্য, “শুভেন্দু অধিকারীর পরিবারের দু’জন তৃণমূলের সাংসদ পদে বহাল থেকে বিজেপি করছেন। সুকান্তবাবুর সাহস ও নৈতিকতা থাকলে আগে তাঁদের তিনি সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার নির্দেশ দিন।”