সর্বভারতীয় স্তরে সাফল্য কৃষিতে

স্নাতকোত্তরে ভর্তির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষায় নজরকাড়া ফল করলেন উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা। ভারতীয় কৃষি অনুষদ কর্তৃপক্ষ আয়োজিত ওই পরীক্ষায় এ বার বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ২২ জন ছাত্র-ছাত্রী জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ জুন ২০১৬ ০৭:০২
Share:

স্নাতকোত্তরে ভর্তির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষায় নজরকাড়া ফল করলেন উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা। ভারতীয় কৃষি অনুষদ কর্তৃপক্ষ আয়োজিত ওই পরীক্ষায় এ বার বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ২২ জন ছাত্র-ছাত্রী জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপের জন্য মনোনীত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সর্বভারতীয় স্তরের র‍্যাঙ্কিংয়েও বিভিন্ন বিভাগে প্রথম দশেও রয়েছেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা।

Advertisement

ওই তালিকায় কৃষি অনুষদের সংখ্যাতত্ত্ব বিভাগের সন্দীপন সরকার ও প্রমিত পন্ডিত নিজেদের বিষয়ের প্রবেশিকা পরীক্ষায় দেশের মধ্যে এক ও দুই নম্বর র‍্যাঙ্ক করেছেন। বায়োটেকনলজি বিষয়ে নীলাদ্রি বর্মন সাধারণ পরীক্ষার্থীদের তালিকায় দুই নম্বর র‍্যাঙ্ক করেছেন। সৌরভ দাস ওই বিভাগেই তিন নম্বর র‍্যাঙ্ক, বিপ্রতীপ দত্ত পঞ্চম ও আকাশ পাল অষ্টম স্থান পেয়েছেন। বায়োটেকনলজি বিভাগের প্রিয়া পাল ওবিসি তালিকায় ১০ নম্বর, সুত্যনা সাহা তপশিলি জাতি তালিকায় ৪ নম্বর ও তফশিলি উপজাতি তালিকায় মৌমিতা বড়ুয়া ৩৫ নম্বর র‍্যাঙ্ক করেছেন।

এগ্রোনোমি ও সোশ্যাল সায়েন্সে বিষয়েও বেশ কয়েকজন ভাল র‍্যাঙ্ক করেছেন। ওই তালিকায় অংশুমান দাস, দেবাশিস রায়, সুজন আদক প্রমুখের নাম রয়েছে। শনিবার কোচবিহারে ওই ব্যাপারে সাংবাদিক বৈঠক করেন উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য আশিস সিংহরায়। তিনি বলেন, ‘‘সবার চেষ্টাতেই এই সাফল্য এসেছে।’’ কৃতী ছাত্রীদের একজন মৌমিতা বডুয়া বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাহায্য, দিল্লিতে কোচিংয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ায় ভাল ফল সম্ভব হয়েছে।”

Advertisement

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ পান। এ বার আগে থেকে সংখ্যা বাড়ানোর উপর জোর দেওয়া হয়। নিয়মিত ক্লাস, মহড়া পরীক্ষা, প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের মাধ্যমে বিশেষ কোচিংয়ের মত পরিকল্পনাও হয়। সব মিলিয়েই প্রথম দশের তালিকায় একাধিক পড়ুয়া ঢুকে পড়েছেন। ‘গেট’ পরীক্ষাতেও বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন সফল হয়েছেন। তাদের নাম পৃথ্বীশ রায়, মানিক বিশ্বাস, মহম্মদ এসানুহল হক ও কমল দাস। ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার শুভেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “দুবছরে বিভিন্ন বিষয়ের শূন্যপদে সর্বভারতীয় স্তরে সফল ও কৃতী শিক্ষক ও বিজ্ঞানীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দান করাটাও সাফল্যের অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement