পাক নাগরিকের কারাদণ্ড

বুধবার ওই অভিযোগে ৮ বছরের কারাবাসের সাজা শোনালো আদালত। পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৭:৩৩
Share:

দেশদ্রোহিতা ও ষড়যন্ত্রের মামলা থেকে মঙ্গলবার রেহাই মিলেছিল। তবে বৈদেশিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে পাকিস্তানের নাগরিক সন্দেহে ধৃত আয়াজ আহমেদ ওরফে মুসলিম চাচাকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল আদালত।

Advertisement

বুধবার ওই অভিযোগে ৮ বছরের কারাবাসের সাজা শোনালো আদালত। পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও এক বছরের সাজা। মামলা চলার ১৩ বছর পর মালদহ জেলা আদালতের ফার্স্ট ট্র্যাক ফাস্ট কোর্টের বিচারক রাজেশ তামাঙ্গ এ দিন সেই সাজা শোনান। তবে, এ দিন সাজা শোনানোর পর আয়াজ আহমেদ ছিল ভাবলেশহীন।

২০০৫ সালের ২০ মার্চ ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ কালিয়াচক থানার সাহায্য নিয়ে কালিয়াচকেরই একটি বাড়ি থেকে আয়াজ আহমেদ ওরফে মুসলিম চাচা ওরফে ইনকিলাব আহমেদকে গ্রেফতার করেছিল। সে দিনই কালিয়াচক থানায় তাঁরা যে মামলাও রুজু করে সেখানে বলা হয়েছিল, আয়াজ পাকিস্তানের নাগরিক। বাড়ির ঠিকানা দেওয়া হয়েছিল সে দেশের ভাওয়াল নগরের ফয়জল কলোনি, স্ট্রিট নম্বর ৪। এবং সে আল বদর নামে একটি জঙ্গি গোষ্ঠীর জন্য সদস্য সংগ্রহের কাজে কালিয়াচকে এসেছিল বলেও উল্লেখ করা হয়।

Advertisement

তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০ (বি), ১২১ (এ), ১২১ (২), ১২৪ এ এবং ১৪ বৈদেশিক আইন লঙ্ঘন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছিল। ২০১৫ সাল থেকে মামলাগুলির বিচার চলছিল মালদহের ফার্স্ট ট্র্যাক ফাস্ট কোর্টে। মামলা চলাকালীন আয়াজ অবশ্য দাবি করেছিল যে তার বাড়ি কাশ্মীরে। কিন্তু সে ব্যাপারে প্রামাণ্য কোনও নথি যেমন তাঁর তরফে পাওয়া যায়নি, তেমনি পুলিশের তদন্তেও সেই ঠিকানার কোনও হদিস মেলেনি।

আয়াজের হয়ে কোনও আইনজীবী মামলা লড়তে রাজি না হওয়ায় জেলা লিগাল এইডের পক্ষ থেকে সুদীপ্ত গঙ্গোপাধ্যায়কে তাঁর হয়ে মামলা লড়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়। সরকারি আইনজীবী ইকবাল আলম অবজা বলেন, ‘‘দেশদ্রোহিতা ও ষড়যন্ত্রের মামলা প্রমাণ না হওয়ায় বিচারক আয়াজ আহমেদকে মঙ্গলবারই বেকসুর খালাস করেন। কিন্তু বৈদেশিক আইন লঙ্ঘনের মামলায় বিচারক তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন এবং ৮ বছরের সাজা শোনান।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement