কোচবিহার বিমানবন্দর পরিদর্শনে শমীক ভট্টাচার্য। —নিজস্ব ছবি।
কেন্দ্রীয় সরকারের উড়ান প্রকল্পের আওতায় কোচবিহার থেকে কলকাতা এবং কলকাতা থেকে কোচবিহার বিমান পরিষেবা প্রায় বন্ধের মুখে। বিমান সংস্থার সঙ্গে তিন বছরের চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে চলেছে আগামী ৩১ জানুয়ারি। কিন্তু তার আগেই আগামী ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ বিমান পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কোচবিহার সফরে এসে বিমানবন্দর পরিদর্শন করলেন রাজ্যসভার সাংসদ তথা রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি জানান, পরিষেবা চালু করার ব্যাপারে সচেষ্ট তাঁরা। রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে এই কাজ করতে হবে।
শনিবার সকালে বিমানবন্দরের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি তাড়াতাড়ি বিমানবন্দরকে সচল রাখা যায় কি না, সেই ব্যাপারে আলোচনা করেছেন শমীক। কেন্দ্রীয় প্রকল্প অনুযায়ী সরকার ভর্তুকি দিয়ে তিন বছরের চুক্তিতে একটি ৯ আসনের বিমান চালু করেছিল। তিন বছরের চুক্তি শেষ হয়ে যাচ্ছে আগামী জানুয়ারিতেই। তার পরেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বিমান পরিষেবা। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই জেলার ব্যবসায়ীমহল চিন্তায়। শমীক বলেন, ‘‘কোচবিহার বিমানবন্দরে বিমান চলাচল যাতে অব্যাহত থাকে সে ব্যাপারে রাজ্যসভায় সরব হয়েছি। সংশ্লিষ্ট দফতরের মন্ত্রীর সঙ্গেও কথা হয়েছে। আশা করা যায়, ৩১ জানুয়ারির পরেও বিমান পরিষেবা চালু থাকবে।’’ বিমানবন্দরের রানওয়ে প্রসারিত করার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারকে সহযোগিতার বার্তাও দেন তিনি।
ইতিমধ্যে কেন্দ্রের তরফে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। বিমানবন্দরের রানওয়ে বাড়ানো যায় কি না, সে ব্যাপারে অবশ্য ধন্দ রয়েছে। কারণ, বিমানবন্দরের কাছেই রয়েছে তোর্সা নদী। সেই নদীর উপর কালভার্ট বসিয়ে রানওয়ে বাড়ানোর পরিকল্পনা সফল হবে কি না, প্রশ্ন। শমীক জানিয়েছেন, বিমানবন্দর নিয়ে কোনও রাজনীতি চায় না বিজেপি। কোচবিহার তথা উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য এই বিমানবন্দর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিষেবা যাতে সচল রাখা যায়, তা নিয়ে পদক্ষেপ করা হবে।