নাকা চেকিংয়ের সময় পুলিশকর্মীকে মারধরের অভিযোগ। —নিজস্ব চিত্র।
গাড়ির বৈধ কাগজপত্র কই? নাকা চেকিংয়ের সময় সেই প্রশ্নই জিজ্ঞাসা করেছিলেন কর্তব্যরত পুলিশ কর্মী। অভিযোগ, তখনই পুলিশের কাজে বাধা দেন কয়েক জন। এমনকি, ওই পুলিশ কর্মী এবং এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে মারধরও করেন বলেও অভিযোগ।
সোমবার রাতে মালদহের গীতা মোড় এলাকায় নাকা চেকিং করছিল মোথাবাড়ি থানার পুলিশ। সেই সময় একটি গাড়ি আটকে তার কাগজপত্র পরীক্ষা করতে চায় তারা। অভিযোগ, কাগজপত্র দেখাতে অস্বীকার করেন ওই গাড়ি চালক। উল্টে পুলিশের উপরই চড়াও হন তিনি। ঘটনার সময় আরও কয়েক জন ঘটনাস্থলে এসে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। এমনকি, সমাজমাধ্যমে লাইভ করে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। অভিযোগ, তল্লাশির সময় কর্তব্যরত পুলিশকর্মী এবং সিভিক ভলান্টিয়ারকে মারধর করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছোন মোথাবাড়ি থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক।
ঘটনা প্রসঙ্গে মালদহের পুলিশ সুপার প্রদীপকুমার যাদব জানিয়েছেন, পুলিশের কাজে বাধা এবং মারধরের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতরা হলেন আলকাশ আলি, সফিকুল ইসলাম এবং সালাম শেখ। ছবি দেখে বাকিদেরও সন্ধান করা হচ্ছে। প্রদীপের দাবি, নিয়ম অনুযায়ী পুলিশ নিজের কাজ করছিল। সেই কাজে বাধা দেওয়া হয়। যদিও পুলিশের বিরুদ্ধে টাকা তোলার অভিযোগ ধৃতদের পরিবারের। উল্টে পুলিশের বিরুদ্ধেও মারধরের অভিযোগ তুলেছে তারা। সম্প্রতি, কর্মিসভা থেকে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা মোথাবাড়ির বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিন। তার পরই এ হেন ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতর।