গঙ্গারামপুরে অভিযুক্ত টিএমসিপি

আক্রান্ত এবিভিপি সমর্থক

কলেজে ভর্তি হতে এসে এবিভিপি (অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ)-র সমর্থক এক ছাত্রকে মারধর ও অত্যাচারের অভিযোগ উঠেছে টিএমসিপি-র এক দল ছাত্রের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার দুপুরে দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর কলেজেই অসুস্থ হয়ে পড়েন অমিত হাসান মণ্ডল নামে ওই ছাত্র। তাঁকে প্রথমে গঙ্গারামপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। বিকেলে তাঁকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করানো হয়েছে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩১ জুলাই ২০১৫ ০২:৫৬
Share:

মালদহ মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন ছাত্র। নিজস্ব চিত্র।

কলেজে ভর্তি হতে এসে এবিভিপি (অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ)-র সমর্থক এক ছাত্রকে মারধর ও অত্যাচারের অভিযোগ উঠেছে টিএমসিপি-র এক দল ছাত্রের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর কলেজেই অসুস্থ হয়ে পড়েন অমিত হাসান মণ্ডল নামে ওই ছাত্র। তাঁকে প্রথমে গঙ্গারামপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। বিকেলে তাঁকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করানো হয়েছে। মারধরের পাশাপাশি অমিতকে অভিযুক্তরা জোর করে বিষাক্ত কিছু তরল খাইয়ে দেয় বলেও অভিযোগ করেছেন এবিভিপি নেতা অভিনব দাস।
গঙ্গারামপুর কলেজে ছাত্র সংসদের সবগুলি আসন টিএমসিপি-র দখলে। কলেজ সূত্রের খবর, এদিন দুপুর ১২টা নাগাদ অমিত তৃতীয় বর্ষে ভর্তি হতে কলেজে গিয়েছিল। কলেজে ঢোকা মাত্র অভিযুক্তরা তাকে ছাত্র সংসদের কমন রুমে ধরে নিয়ে গিয়ে মারধোর করতে থাকে বলে অভিযোগ। সে সময় তাকে জোর করে কিছু খাইয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপরেই বেঁহুশ হয়ে পড়ে সে। অমিতের বাড়ি তপনের করদহ এলাকায়। বিজেপির জেলা সভাপতি গৌতম চক্রবর্তী অভিযোগ করেন, ‘‘অমিতকে টিএমসিপিতে যোগ দেওয়ার জন্য ক্রমাগত চাপ দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু অমিত সিদ্ধান্তে অনড় ছিল বলেই শেষ পর্যন্ত ওরা ওঁকে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছে। জেলা পুলিশ কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি বিষয়টি আমরা রাজ্য নেতৃত্বকে জানিয়েছি।’’ গঙ্গারামপুরের এসডিপিও রাজীব ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে।’’

Advertisement

তবে টিএমসিপি-র কলেজ সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সৌরভ মল্লিকরায় বলেন, ‘‘মারধরের অভিযোগ ঠিক নয়। প্রচন্ড গরমের জন্য কলেজে মাথা ঘুরে অমিত পড়ে গিয়েছিল। আমরাই ওকে উদ্ধার করে কমন রুমে নিয়ে গিয়ে প্রাথমিক শুশ্রুষা করে হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছি। বিরোধীরা মিথ্যা অভিযোগ তুলেছে।’’

গঙ্গারামপুর মহকুমা হাসপাতালের সুপার আব্দুল হালিম অবশ্য বলেন, ‘‘ছাত্রটিকে হেনস্থা করা হয় বলে শুনেছি। সার্জিক্যাল ওয়ার্ডে ওকে ভর্তি করা হয়েছিল।’’ হাসপাতাল সূত্রের খবর, বিষাক্ত কোনও তরলের প্রভাবে ওই ছাত্র প্রায় সংজ্ঞাহীন অবস্থায় রয়েছে। কোনও কথা বলতে পারছে না। তবে তাঁর পাকস্থলী পরিষ্কার করানো হয়েছে। কিন্তু বিকেলে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে মালদহে রেফার করা হয়।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement