ই-গভর্ন্যান্স চালু হল শিলিগুড়ি পুরসভায়

বাড়ি তৈরির নকশা অনুমোদন, ট্রেড লাইসেন্স বা জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র দেওয়ার ক্ষেত্রে ই-গভর্ন্যান্স চালু হল শিলিগুড়ি পুরসভায়। বৃহস্পতিবার তার উদ্বোধন করেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী গৌতম দেব। পুর কর্তৃপক্ষ জানান, এই ব্যবস্থায় বাড়ি তৈরির নকশা অনুমোদনের ক্ষেত্রে বিশেষ সফট্ওয়্যার থাকবে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ অগস্ট ২০১৪ ০২:১৪
Share:

ই-গভর্ন্যান্সে সার্টিফিকেট প্রদান প্রক্রিয়ার উদ্বোধনে মন্ত্রী। —নিজস্ব চিত্র।

বাড়ি তৈরির নকশা অনুমোদন, ট্রেড লাইসেন্স বা জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র দেওয়ার ক্ষেত্রে ই-গভর্ন্যান্স চালু হল শিলিগুড়ি পুরসভায়। বৃহস্পতিবার তার উদ্বোধন করেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী গৌতম দেব। পুর কর্তৃপক্ষ জানান, এই ব্যবস্থায় বাড়ি তৈরির নকশা অনুমোদনের ক্ষেত্রে বিশেষ সফট্ওয়্যার থাকবে। কেউ আবেদন করলে সেই সমস্ত তথ্য কম্পিউটারে নথিভুক্ত হওয়ার পর ওই বিশেষ সফট্ওয়্যার জানিয়ে দেবে নকশায় কোনও গরমিল রয়েছে কি না। গরমিল কোথায় রয়েছে। তা ছাড়া বহুতল ভেদে নকশা অনুমোদনের ক্ষেত্রে কোন ক্ষেত্রে কত ফি হবে ওই বিশেষ ব্যবস্থা তাও জানা যাবে। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী বলেন, “যে সংস্থা ওই কাজের দায়িত্বে রয়েছে তারা রাজ্যের সব জায়গাতে ব্যবহারের উপযোগী সফটওয়্যার তৈরি করেছিল। কিন্তু শিলিগুড়ি শহরের প্ল্যান অনুমোদনের ক্ষেত্রে কয়েকটি বিশেষ দিক থাকায় আলাদা করে সেই সমস্ত বিষয় গুরুত্ব পাবে এমন সফটওয়্যার দরকার ছিল। সে ব্যাপারে উদ্যোগী হয়ে তা তৈরি করাতে হয়েছে। নকশার নিয়ম মানা না হলে কম্পিউটারের ওই ব্যবস্থায় তা গ্রহণীয় হবে না। তাতে বাড়ির নকশা অনুমোদনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় থাকবে। এবং দ্রুত নকশা অনুমোদন করা সম্ভব হবে। পরবর্তীতে অনলাইনের মাধ্যমে বাসিন্দারা নকশা অনুমোদনের এই সুযোগ পেতে পারবেন।” তিনি জানান, রাজ্য সরকার চাইছে বাসিন্দাদের পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে বাড়ির নকশা অনুমোদন, ট্রেড লাইসেন্স ব্যবস্থা, কর জমা দেওয়া এ সব অন লাইনের মাধ্যমে করতে। সেই লক্ষ্যে ই-গভর্ন্যান্স চালু করা হচ্ছে। পানীয় জলের সংযোগ, সম্পত্তি কর জমা দেওয়ার মতো পরিষেবাগুলির প্রতিটি আলাদা ‘মডিউল’ হিসাবে ই-গভর্ন্যান্সের আওতায় আনা হবে। ৭/৮ টি মডিউল হলে অন লাইন ব্যবস্থায় সুডার মূল সার্ভারের সঙ্গে সেগুলি সংযোগ করে দেওয়া হবে। তাতে অনলাইন ব্যবস্থায় পরিষেবাগুলি পাবেন বাসিন্দারা।

Advertisement

উদ্বোধনের পর ওই পদ্ধতিতে আশ্রমপাড়ার বাসিন্দা কৃষ্ণরানি ঘোষের সাইট প্ল্যান, নিউ মিলনপল্লির বাসিন্দা পদ্মদেবী অগ্রবালের বাড়ি তৈরির নকশা তুলে দেওয়া হয়। নতুন পদ্ধতিতে নাগরচন্দ শর্মাকে ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া হয়। পদ্মদেবী অগ্রবাল জানান, তাঁরা পাঁচ তলা ভবন তৈরির জন্য ৭ মাস আগে নকশা জমা দিয়েছিলেন। মে মাসের মাঝামাজি মেয়র এবং মেয়র পারিষদরা ইস্তফা দেওয়ার পর থেকে কোনও বোর্ড মিটিং না হওয়ায় বিল্ডিং প্ল্যান পাশ হয়নি। তার আগেও কয়েকমাস কংগ্রেসের সংখ্যালঘু পুরবোর্ডের সময় নকশা অনুমোদনে অনিয়মের অভিযোগে বোর্ড মিটিংয়ে বিরোধী এবং তৃণমূলের কাউন্সিলরদের বাধায় বাড়ি তৈরির নকশা অনুমোদন আটকে গিয়েছিল। ১৮ অগস্ট থেকে পুরবোর্ডে প্রশাসক বসার পর বাড়ি তৈরির নকশা অনুমোদন করা হচ্ছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement