ফুটবলার নিখোঁজ হওয়ার নালিশ

এক ফুটবলারের ছেলে নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ উঠল। ৪ সেপ্টেম্বর ঘটনার পর প্রধাননগর থানায় অভিযোগ জানালেও পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ। সোমবার পরিবারের লোকেরা পুলিশ কমিশনারের দফতরে এ ব্যাপারে অভিযোগ জানাতে যান।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০১:১৬
Share:

এক ফুটবলারের ছেলে নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ উঠল। ৪ সেপ্টেম্বর ঘটনার পর প্রধাননগর থানায় অভিযোগ জানালেও পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ। সোমবার পরিবারের লোকেরা পুলিশ কমিশনারের দফতরে এ ব্যাপারে অভিযোগ জানাতে যান। যদিও কমিশনার ব্যস্ত থাকায় ‘এ দিন দেখা হবে না’ দফতর থেকে তা জানানো হয়েছে বলে পরিবারের লোকদের দাবি। নিখোঁজ কিশোরের বাবার নাম নিমা তামাঙ্গ। তিনি চার্চিল ব্রাদার্স ও মোহনবাগানে খেলেছেন বলে পরিবারের তরফে দাবি করেন। শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা বলেন, ‘‘প্রধাননগর থানা বিষয়টি দেখছে। সম্ভাব্য জায়গা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’’

Advertisement

পরিবার সূত্রে জানা গিযেছে, গত ৪ সেপ্টেম্বর দুপুরে বাঘাযতীন কলোনির বাড়ি থেকে দুই ভাই ভিডিও গেম খেলতে বেড়িয়েছিল। ছোট ভাই আবসুন গেম খেলে ফিরে এলেও ফেরেনি বড় ছেলে আরিয়ান। সারাদিন খুঁজে না পাওয়াতে সন্ধ্যায় শিলিগুড়ির প্রধাননগর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। তিনদিন কেটে গেলেও তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ আরিয়ানের বয়স ১০ বছর। সে মাটিগাড়ার একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। ওইদিন স্কুল শিক্ষক দিবসের জন্য ছুটি ছিল। তাই সেদিন বাড়িতেই ছিল। স্কুলে না গেলে সাধারণত মোবাইল ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয় আরিয়ানকে। সে কারণে মোবাইল ফোন একটা কিনেও দেন বাড়ির লোকেরা। কিন্তু ওইদিন মোবাইল না নিয়েই সে এবং ছোট ভাই বাইরে যায় বলে জানানো হয়েছে।

পুলিশ জানতে পেরেছে, বাড়ির পিছন দিক থেকে মহানন্দা পার হয়ে শর্টকার্ট রাস্তা ধরে নদীর অন্য পারে শহিদনগরে গিয়েছিল। কিন্তু আবসুন গেম খেলে ফিরে এলেও আরিয়ান আসেনি। ৬ বছরের আবসুন অবশ্য পরিষ্কার করে কিছু জানাতে পারেনি বলে তার মা নিশাদেবীর দাবি। তিনি বলেন, ‘‘আমরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাইনি। পুলিশও সাহায্য করছে না।’’

Advertisement

তার বাবা নিমাবাবু জানান, ছেলে যথেষ্ট সপ্রতিভ। কী হয়ে গেল বুঝতে পারছেন না। তিনি এখন শিলিগুড়ির কাঞ্চনজঙ্ঘা ফুটবল ক্লাবে খেলেন। তিনি বলেন, ‘‘ছেলে হারিয়ে যাওয়ায় জলপাইগুড়িতে একটি প্রতিযোগিতায় ফাইনাল খেলতে পারলাম না।’’ তিনি ২০০৮ এ চার্চিল ব্রাদার্সের হয়ে খেলেছেন বলে দাবি করেন। ২০১১ তে তিনি মোহনবাগানে সই করেছিলেন বলে জানান। তবে ৬ মাস দলের সঙ্গে থাকার পর তিনি শিলিগুড়িতে চলে আসেন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement