ফের শিশুমৃত্যু মালদহে

ফের শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটল মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। গত মঙ্গলবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার মধ্যে মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ৬টি শিশুর। এই ঘটনায় চিকিৎসকদের গাফিলতিকেই দায়ী করেছেন রোগীর আত্মীয় পরিজনেরা। তাঁদের অভিযোগ, চিকিৎসকেরা ঠিক মতো কাজ করেন না। সে জন্যই এমন ঘটছে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৮ ডিসেম্বর ২০১৫ ০২:৩৪
Share:

ফের শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটল মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। গত মঙ্গলবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার মধ্যে মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ৬টি শিশুর। এই ঘটনায় চিকিৎসকদের গাফিলতিকেই দায়ী করেছেন রোগীর আত্মীয় পরিজনেরা। তাঁদের অভিযোগ, চিকিৎসকেরা ঠিক মতো কাজ করেন না। সে জন্যই এমন ঘটছে।

Advertisement

যদিও মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি, গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে দু’টি শিশুর। শিশুগুলির ওজন ছিল স্বাভাবিকের তুলনায় খুব কম। মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সহ অধ্যক্ষ তথা সুপার অমিত দাঁ বলেন, ‘‘এ দিনের রিপোর্ট আমাদের কাছে নেই। তবে গত এক দিনে দু’টি শিশু মারা গিয়েছে। শিশু গুলির ওজন খুবই কম ছিল। চিকিৎসকদের গাফিলতির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে। যদি গাফিলতি প্রমাণিত হয় তবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।’’

শিশু মুত্যুর ঘটনায় একাধিকবার খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে এই হাসপাতালে। এ দিন ফের শিশু মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়ায় রোগীর আত্মীয় পরিজনদের মধ্যে। মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে বুধবার রাত ১২টা পর্যন্ত মেডিক্যালে মৃত্যু হয়েছে দুই শিশুর। তবে বুধবার রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ফের চারটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রেই জানা গিয়েছে।

Advertisement

মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, কালিয়াচকের নয়াগ্রামের বাসিন্দা রেজিনা বিবির নয় দিনের মেয়ে, ইংরেজবাজারের মহদিপুরে শ্যামলী মন্ডলের আট দিনের ছেলে, হরিশ্চন্দ্রপুরের জালালপুরে মমতাবিবির দুই দিনের মেয়ে এবং হবিবপুরের সুজাতা সরকারের দুই দিনের ছেলের মৃত্যু হয়েছে। সব কটি শিশুরই মৃত্যু হয়েছে এসএনসিইউ বিভাগে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই শিশুগুলিকে খুবই সঙ্কটজনক অবস্থায় মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে আসা হয়েছিল। সব কটি শিশুরই ওজন খুবই কম। কারও ওজন ৯০০ গ্রাম, আবার কোনও শিশুর ওজন ১ কিলো ২০০ গ্রাম। এদিকে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এই দাবি মানতে নারাজ মৃত রোগীর আত্মীয় পরিজনেরা। মৃত শিশুর মা রেজিনা বিবি বলেন, ‘‘চার দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি ছিল। মেয়ের শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা ছিল। চিকিৎসকেরা নিয়মিত রোগী দেখেন না। যার জন্য মরতে হল আমার মেয়েকে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement