বাজারে চাহিদা শুকনো মিষ্টির

শিলিগুড়িতে মিস্টির দাম এমনিতেই চড়া। তবে তার মধ্যে সন্দেশ, ও শুকনো মিস্টির চাহিদা বেড়েছে কয়েক গুণ। কালাকাঁদ ১০ টাকা, রসকদম ১০ টাকা, পেঁড়া ১২ টাকা, চমচম ১০ থেকে ১৫ টাকা, রসগোল্লা ১০ থেকে ১৫ টাকা, কালোজাম ১২ টাকা, ক্ষীরের যে কোনও মিস্টি ১০ থে‌কে ১৫ টাকা দরে বিকোচ্ছে।

Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদেন

শেষ আপডেট: ২৬ অক্টোবর ২০১৫ ০২:০০
Share:

পুজোর মিষ্টি। —নিজস্ব চিত্র।

শিলিগুড়িতে মিস্টির দাম এমনিতেই চড়া। তবে তার মধ্যে সন্দেশ, ও শুকনো মিস্টির চাহিদা বেড়েছে কয়েক গুণ। কালাকাঁদ ১০ টাকা, রসকদম ১০ টাকা, পেঁড়া ১২ টাকা, চমচম ১০ থেকে ১৫ টাকা, রসগোল্লা ১০ থেকে ১৫ টাকা, কালোজাম ১২ টাকা, ক্ষীরের যে কোনও মিস্টি ১০ থে‌কে ১৫ টাকা দরে বিকোচ্ছে। সীতাভোগ ৩০০ টাকা কেজি, ছানার পোলাও ২৪০ টাকা কেজি। বিধান মার্কেটের পুরোনো মিস্টির দোকান, চিলড্রেন্স পার্কের মিস্টির দোকান, শিলিগুড়ি থানার সামনে স্টেশন ফিডার রোডের মিস্টির দোকাগুলিতে ভিড় উপচে পড়েছে সারাদিনই।

Advertisement

ফলের মতো মিষ্টির দামও মালদহে চড়া। জেলার বিভিন্ন দোকানে ভিন্ন দরে বিক্রি হচ্ছে মিষ্টি। প্রতিষ্টিত মিষ্টির দোকান গুলিতে, ছোট রসোগোল্লা পাঁচ টাকা ও বড়ো রসোগোল্লা দশটাকা প্রতি পিস, কারসার্ট ছোট আট ও বড়ো ১২টাকা প্রতি পিস, লালমোন ছোট পাঁচ ও বড়ো দশটাকা প্রতি পিস, ল্যাংচা ১০টাকা প্রতি পিস, ছানা দিয়ে তৈরি সন্দেশ ১০টাকা, ক্ষীরের সন্দেশ ১০টাকা এবং বাতাশা ৬০ টাকা কেজি, কদমা ১৩০টাকা কেজি এবং ক্ষীর ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মিষ্টির দাম অন্যান্য দিনের মতো থাকলেও এদিন আকারের অন্যান্য দিনের তুলনায় অনেকটায় ছোট বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।

ইসলামপুরে রসগোল্লা ৬ থেকে ১০ টাকা, সন্দেশ ৬ থেকে ৭ টাকা, ল্যাংচা ১০ টাকা প্রতিটি, রসকদম্ব ৭ থেকে ১০ টাকা, ছানার পায়েস ২০ থেকে ২৫ টাকা, চমচম ৬ টাকা, ক্ষীরের সিঙারা ১০ টাকা প্রতিটি. কালো জাম- ৫ থেকে ১০ টাকা, পেঁড়া ৩ থেকে ৫ টাকা, লাড্ডু ৬ থেকে ৮ টাকা।

Advertisement

রায়গঞ্জে মিষ্টির দর বোঁদে ৯০ টাকা কেজি, মিহিদানা ১২০ টাকা কেজি, জিলিপি ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি, চমচম ছোট প্রতিটি ১০ টাকা, বড় ১৫ টাকা, লাড্ডু প্রতিটি ৫ টাকা, ক্ষীরের সন্দেশ প্রতিটি ১০ টাকা, ক্ষীরের সিঙারা প্রতিটি ১০ টাকা, রসকদম্ব প্রতিটি ছোট ৬ টাকা, বড় ১০ টাকা, রসগোল্লা প্রতিটি ছোট ৫ টাকা, মাঝারি ৭ টাকা, বড় ১০ টাকা, ল্যাংচা প্রতিটি ১০ টাকা, সন্দেশ প্রতিটি ছোট ৮ টাকা, বড় ১০ টাকা, ক্ষীরের সন্দেশ প্রতিটি ১০ টাকা, ছানার সন্দেশ ছোট ৬ টাকা, বড় ১০ টাকা।

কোচবিহারে দশমীর বাজারে চাহিদা বেড়েছে সীতাভোগ ও মিহিদানার। দাম ২০০ টাকা প্রতি কেজি। জেলার বিভিন্ন মিস্টির দোকানে ওই খাবার বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও রসগোল্লা, লালমোহন, সন্দেশ, চকলেট বরফি, কাজু পেস্তা বরফি, মতিচুর, লাড্ডু ৬-১০ টাকা প্রতিটি দামে বিক্রি হচ্ছে। চাহিদা রয়েছে গরমাগরম জিলিপির। কেজি প্রতি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে জিলিপি। কোচবিহারের মিষ্টি ব্যবসায়ী রাজু ঘোষ বলেন, “ পুজোর মরসুমে মিস্টির ভাল চাহিদা রয়েছে। সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যে আমরা দাম রাখার চেষ্টা করেছি।”

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement