বাবাকে ফেলে দিলেন রঞ্জনবাবু

কাউন্সিলর এবং তার লোকজন এমন কাণ্ড ঘটাবে ভাবতেও পারিনি। সন্ধ্যা থেকেই বাজার কমিটির অফিসে বসা নিয়ে রঞ্জনবাবুর লোকদের সঙ্গে আমাদের বাজার কমিটির সদস্যদের কথা কাটাকাটি চলছিল। আগের দিন কাউন্সিলর এবং তার লোকজন বাজার কমিটির অফিসে বসে মদ্যপান করছিলেন বলে মঙ্গলবার তাদের ওই ঘরের চাবি তাদের দেওয়া হয়নি।

Advertisement
শেষ আপডেট: ১০ ডিসেম্বর ২০১৫ ০৪:০৮
Share:

নিতাই সাহা (দশকর্মা ভান্ডারের ব্যবসায়ী)

কাউন্সিলর এবং তার লোকজন এমন কাণ্ড ঘটাবে ভাবতেও পারিনি। সন্ধ্যা থেকেই বাজার কমিটির অফিসে বসা নিয়ে রঞ্জনবাবুর লোকদের সঙ্গে আমাদের বাজার কমিটির সদস্যদের কথা কাটাকাটি চলছিল। আগের দিন কাউন্সিলর এবং তার লোকজন বাজার কমিটির অফিসে বসে মদ্যপান করছিলেন বলে মঙ্গলবার তাদের ওই ঘরের চাবি তাদের দেওয়া হয়নি। এর পরেই কাউন্সিলরের কিছু লোকজন এসে বাজার কমিটির অফিসে তালা মেরে দেয়। তা নিয়ে আমরা সকলে মিলেই প্রতিবাদ করি। ঠিক হয় নিজেরা তালা না ভেঙে পুলিশের কাছে অভিযোগ করব। পুলিশ এসে যা করার করবে। সেই মতো আমরা সকলে মিলে ফাঁড়ির দিকে রওনা হই। পাইপলাইন এলাকায় যেতেই দেখি অন্ধকার। কাউন্সিলর রঞ্জন শীলশর্মা এবং তার লোকরা আমাদের মিছিল আটকে দেয়। কোথায় যাচ্ছি জিজ্ঞেস করে। গালিগালাজ করে বলে বাঁশ, লাঠি বার কর তো! ওদের মেরে তাড়া। এর পরেই আচমকা মারধর শুরু করে। আমি পালাতে গিয়ে দেখি রঞ্জনবাবু আমার বাবা ব্যবসায়ী কমিটির সম্পাদক মণি সাহাকে ল্যাং মেরে ফেলে দেয়। আমি ছুটে গিয়ে বাবাকে তুলতে যাই। বাবাকে বাঁচাতে যেতে ওরা বাঁশ দিয়ে আমার কানে মারে। পরে বাটাম দিয়ে মাথায় জোরোআঘাত করে। অসহ্য ব্যথা করছিল মাথায়। বাবাকে ধরে নিয়ে ছুটতে থাকি। কোনও ক্রমে বাবাকে নিয়ে প্রাণ বাঁচিয়ে পালাতে পেরেছি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement