বর্ষায় ভাঙা সেতু নিয়ে আশঙ্কায় বাসিন্দারা

বর্ষা আসছে। বিপাকে পড়েছেন মণ্ডলঘাট এবং বোয়ালমারি নন্দনপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলের বাসিন্দারা। কারণ তিনটি সেতু ভেঙে যাওয়ায় এই দু’টি এলাকার সঙ্গে সড়ক পথে হলদিবাড়ির সরাসরি যোগাযোগ দীর্ঘ দিন ধরে বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে। জলপাইগুড়ি সদর পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে একটি সেতু নতুন করে বানানোর চেষ্টা করা হলেও সেই কাজ দীর্ঘ দিন বন্ধ হয়ে থাকার ফলে এলাকায় ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ মে ২০১৫ ০২:০৫
Share:

বর্ষা আসছে। বিপাকে পড়েছেন মণ্ডলঘাট এবং বোয়ালমারি নন্দনপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলের বাসিন্দারা। কারণ তিনটি সেতু ভেঙে যাওয়ায় এই দু’টি এলাকার সঙ্গে সড়ক পথে হলদিবাড়ির সরাসরি যোগাযোগ দীর্ঘ দিন ধরে বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে। জলপাইগুড়ি সদর পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে একটি সেতু নতুন করে বানানোর চেষ্টা করা হলেও সেই কাজ দীর্ঘ দিন বন্ধ হয়ে থাকার ফলে এলাকায় ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। জলপাইগুড়ি থেকে মণ্ডলঘাট এবং বোয়ালমারি নন্দনপুর গ্রামপঞ্চায়েত এলাকা দিয়ে কানাপাড়া হয়ে হলদিবাড়ি যাওয়ার একটি রাস্তা আছে। সেই রাস্তার মাঝে কানাপাড়ায় একটি জলাভূমির ওপর সেতুটি গত এপ্রিল মাসের ৯ তারিখে ভেঙে পড়ে। বিকল্প রাস্তা বলতে জলপাইগুড়ি হলদিবাড়ির মূল রাস্তার সংযোগকারী আরও দু’টি রাস্তা ছিল। একটি বড়কামাথ হয়ে। অন্যটি মণ্ডলঘাট থেকে কামারপাড়া হয়ে ঘুঘুডাঙার আগে জলপাইগুড়ি হলদিবাড়ি মূল রাস্তায় ওঠা যেত। দুর্ভাগ্যবশত বড়কামাথ গ্রামের সেতুটি পঁচ বছর আগে ভেঙে যায়। কামারপাড়ায় ছোট সেতুটিও ভেঙে যায়। কামারপাড়ার বাসিন্দা দিগ্বিজয় সরকার, মানবেন্দ্র রায় বলেন, ‘‘বর্ষা পুরোপুরি নামলে সেতুর পাশে বানানো কাঁচা রাস্তা জলের তলায় চলে যাবে। আমরা চাই অবিলম্বে সেতুটি তৈরির কাজ সমাপ্ত হোক।” বোয়ালমারি নন্দনপুর গ্রামপঞ্চায়েতের কামারপাড়ার পঞ্চায়েত সদস্য গৌতম তন্ত্র বলেন, “পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির কাছে অবিলম্বে সেতুর কাজ সম্পূর্ণ করার জন্য আবেদন করেছি।” জলপাইগুড়ি সদর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রাখী বর্মন বলেন, “প্রয়োজনীয় লোহার জয়েস্ট সরবরাহের অভাবে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। জয়েস্ট আসলেই বর্ষার আগেই সেতুর কাজ শেষ করার চেষ্টা করব।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement