ভাইয়ের সঙ্গে মহানন্দায় স্নান করতে গিয়ে তলিয়ে গেল দাদা। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পুরাতন মালদহের সাহাপুরের বাগানপাড়া এলাকায়। নিখাঁজের নাম রাহুল চৌধুরী। প্রথমে স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেরাই নৌকা নিয়ে নিখোঁজের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেন। পরে পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্মীরা তল্লাশি চালিয়েও সন্ধান পায়নি রাহুলের। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রাহুল ও তার ভাই আদিত্য সাহাপুরে দাদুর বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করে। রাহুল পঞ্চম ও আদিত্য চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র। তাদের বাড়ি রতুয়ার পীরগঞ্জে। এ দিন সকালে দু’ভাই মিলে মহানন্দা নদীতে প্রতিদিনের মতো স্নান করতে যায়। নদীতে সাঁতার কাটার সময় গভীর জলে চলে যায় রাহুল। এরপরই তলিয়ে যেতে থাকে সে। তার ভাই চিৎকারে স্থানীয়েরা এসে রাহুলকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। শুরু হয় নৌকা নিয়ে তল্লাশি। পরে মালদহ থানার পুলিশ বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্মীদের নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তল্লাশি শুরু করে। দিনভর তল্লাশির পরেও খোঁজ মেলেনি ওই ছাত্রের। এই ঘটনায় কান্নায় ভেঙে পড়েছেন পরিবারের লোকেরা। আদিত্য জানায়,‘‘আমরা একসঙ্গে স্নান করছিলাম। দাদা ঠিক মতো সাঁতার কাটতে পারে না। বেশি জলে চলে গিয়ে হাবুডুবু থেতে থাকে।’’ দাদু জ্যোতি চৌধুরী বলেন, ‘‘পড়াশোনার জন্য আমার কাছে রেখে গিয়েছিল দুই ভাইকে। তারা নদীতে স্নান করতে যায়। এমন হবে কখনও ভাবতে পারেনি।’’