ট্রেনের কামরায় কিশোরীকে যৌন নির্যাতনে ধৃত যুবক রামানন্দ রায়ের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। ওই কিশোরীকে শ্লীলতাহানি (৩৫৪) ও ধর্ষণের চেষ্টার (৩৭৬ ও ৫১১) মামলার পাশাপাশি শিশু সুরক্ষায় পস্কো আইনের ৮-এর ১২ ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে পুলিশ। রবিবার বালুরঘাট আদালতে হাজির করালে সিজেএম কোর্টের বিচারক তার ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।
অভিযুক্ত রামানন্দ বিএ দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। বালুরঘাট থেকে পরীক্ষা দিয়ে ওই ট্রেনে সে কুশমন্ডির পঞ্চতা গ্রামের বাড়িতে ফিরছিল। গঙ্গারামপুর কলেজের ছাত্র রামানন্দের পরীক্ষার সিট পড়ে বালুরঘাট কলেজে। গত ৭ মে থেকে বিএ দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। চলবে আগামী ১৭ জুন পর্যন্ত। ফলে সে বালুরঘাটের চকভৃগু এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকছিল।
এ দিন আপাত নিরীহ রামানন্দের কৃতকর্মের কথা এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে বাসিন্দারা প্রথমে বিশ্বাস করতে পারেননি। তবে ওর চালচলন যে ভাল ছিল না, তা কয়েক জন সহপাঠী জানিয়েছেন। বালুরঘাট থানার আইসি বিপুল বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘অভিযুক্ত এর আগেও মহিলা সংক্রান্ত ঘটনায় জড়ায় বলে জানা গিয়েছে। অভিযুক্তের সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ খবর নিতে কুশমন্ডি থানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।’’
শনিবার ভোরে বালুরঘাট স্টেশনে চিৎপুরগামী তেভাগা এক্সপ্রেস ছাড়ার আগে কামরার ফাঁকা কুপে ওই কিশোরীকে একা পেয়ে ধৃত যুবক ঝাঁপিয়ে পড়ে। কিশোরীর উপর যৌন নির্যাতন চালানোর সময় যাত্রীরা তাকে ধরে ফেলে। বালুরঘাটে এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল অসুস্থ বছর তেরোর ওই কিশোরী।