শিলিগুড়িতে টোটো বন্ধের আবেদন রিকশা চালকদের

পরিবহণ দফতর ছাড়পত্র দেয়নি, পুর অনুমোদনও নেই। তাও ব্যাটারিচালিত ‘টোটো’ শিলিগুড়ি শহর জুড়ে কী ভাবে চলাচল করছে সে প্রশ্ন তুলেছেন রিকশা চালকদের সংগঠন। ‘বেআইনি’ টোটো চলাচল বন্ধের দাবিতে শুক্রবার পুর কমিশনারকে স্মারকলিপি দিয়েছে শিলিগুড়ি সাইকেল রিকশা ওনার্স এন্ড ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ জুন ২০১৪ ০১:৪০
Share:

পরিবহণ দফতর ছাড়পত্র দেয়নি, পুর অনুমোদনও নেই। তাও ব্যাটারিচালিত ‘টোটো’ শিলিগুড়ি শহর জুড়ে কী ভাবে চলাচল করছে সে প্রশ্ন তুলেছেন রিকশা চালকদের সংগঠন। ‘বেআইনি’ টোটো চলাচল বন্ধের দাবিতে শুক্রবার পুর কমিশনারকে স্মারকলিপি দিয়েছে শিলিগুড়ি সাইকেল রিকশা ওনার্স এন্ড ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন।

Advertisement

অনেকটা সিটি অটোর মতো দেখতে হলেও, টোটো ব্যাটারিচালিত রিকশা বলে পরিচিত। একেকটির গঠন অনুযায়ী, সিটি অটোর মতো ৬-৮ জন বসতে পারে। হিলকার্ট রোড, সেবক রোডের প্রধান রাস্তাগুলিতে সে ভাবে চোখে না পড়লেও, শহরের অলি-গলিতে টোটো চলাচল বাড়ছে। এক সঙ্গে অনেক জন বসায়, রিকশার থেকে ভাড়াও কম। নির্দিষ্ট বাধাধরা রুট না থাকায়, শহরের যে কোনও প্রান্তে যাত্রী পৌঁছে দিচ্ছে ব্যাটারিচালিত যান। অনুমোদনহীন টোটোর গতিবিধিতে ক্ষুব্ধ রিকশা মালিক ও চালক সংগঠন।

শিলিগুড়ির মহকুমা শাসক দীপাপ প্রিয়া বলেন, “টোটো নিয়ে অভিযোগ পেয়েছি। ব্যবস্থা নিতে হবে।” এ দিকে, অনুমোদন ছাড়া টোটো চলাচলে যাত্রী সমস্যায় পড়বে বলে আশঙ্কা। নম্বরহীন অবৈধ টোটো দুঘর্টনায় পড়লে যাত্রীর ক্ষতিপূরণ বা বিমার সুবিধে পাওয়ার সম্ভাবনা যেমন নেই, তেমনই কোনও টোটো চালক অপরাধমূলক কাজকর্ম করলেও, লাইসেন্স না থাকায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া কতটা সহজ হবে তা নিয়েও ধন্ধ রয়েছে।

Advertisement

টোটোর অবৈধ চলাচল দেখার দায়িত্ব কোন দফতরের? প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, পেট্রোল বা ডিজেল চালিত যানবাহনের ক্ষেত্রে পরিবহণ দফতর থেকে অনুমোদন নিতে হয়। রিকশা, ভ্যান বা ব্যাটারিচালিত গাড়ির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পুরসভা এবং পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ অনুমতি দেয়। মহকুমাশাসক এ বিষয়ে পুর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন।

এ দিন পেশ করা স্মারকলিপিতে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী মদন মিত্রের বিবৃতিরও উল্লেখ করেছেন রিকশা চালক সংগঠনের সদস্যরা। সম্প্রতি বিধানসভায় দাঁড়িয়ে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী অনুমোদন ছাড়া টোটো চলাচল বেআইনি বলে ঘোষণা করেছিলেন। এ দিন সংগঠনের সম্পাদক বাপি ঘোষ অভিযোগ করে বলেছেন, “চালকের লাইসেন্স থেকে গাড়ির অনুমতি কিছুই নেই। প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে হবে।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement