টানা পাঁচদিন বাদে হিমঘর মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে হিমঘর অবরোধ তুলে দেওয়ার কথা জানিয়ে দিলেন তৃণমূল নেতারা। গত সোমবার থেকে স্থানীয় শ্রমিকদের কাজের দাবিতে তৃণমূলের শ্রমিক ইউনিয়নের পতাকা নিয়ে ধূপগুড়ির একটি হিমঘর অবরোধ করে রাখা হয়। ধূপগুড়ি এলাকার বাকি হিমঘরগুলিতে সিটুর পাশাপাশি তাঁদের সংগঠনের শ্রমিকদের কাজ দেওয়ার দাবি তোলায় সমস্ত হিমঘর বন্ধ করতে বাধ্য হন মালিকরা। সংগঠনের পতাকা নিয়ে এ ভাবে অবরোধ বা আন্দোলনের বিরোধিতা করে জলপাইগুড়ি জেলার নেতাদের বিষয়টি মিটিয়ে নেবার নির্দেশ দেন আইএনটিটিইউসি-র রাজ্য সভানেত্রী দোলা সেন। যে নেতার নেতৃত্ব হিমঘর অবরোধ করা হচ্ছিল, তিনি সংগঠনের কেউ নন বলে জানিয়ে দেন দোলাদেবী। এর পরে নড়েচড়ে বসেন দলের স্থানীয় নেতারা। হিমঘরের সামনে সংগঠনের পতাকা নিয়ে আন্দোলন না করার জন্য স্থানীয় শ্রমিকদের নির্দেশ দেন নেতারা। বুধবার থেকে আলোচনায় বসে বিষয়টি মিটেয়ে নেওয়ার জন্য চেষ্টা চালান তৃণমূল নেতৃত্ব। অবশেষে শুক্রবার ধূপগুড়িতে দুপুরে পর বিষয়টি মিটে যায়। জলপাইগুড়ি জেলা যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক গুড্ডু সিংহ জানান, অবরোধের বিষয়টি আমাদের আগে জানা ছিল না। তবে আলোচনার মাধ্যমে তা মিটে গিয়েছে। স্থানীয় শ্রমিকদের ট্রাক থেকে আলু নামানোর কাজ দিতে রাজি হয়েছেন হিমঘর মালিক। ওই হিমঘরের মালিক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “প্রশিক্ষিত শ্রমিক ছাড়া হিমঘরে কাজ করা কারও পক্ষে সম্ভব নয়। তবে বিষয়টি মিটে গিয়েছে। আজ, শনিবার থেকে ফের হিমঘর চালু হবে।”