সুব্রত কাপ অনূর্ধ্ব ১৭ মহিলা ফুটবলের শিলিগুড়ি জেলার নর্থ জোনের ফাইনালে উঠল অমিয় পাল চৌধুরী হাইস্কুল ও আইবি থাপা নেপালি বিদ্যালয়।
মঙ্গলবার প্রধাননগরে বাঘাযতীন হাইস্কুলের মাঠে অমিয় পাল চৌধুরী প্রথম খেলায় ৩-০ গোলে হারিয়ে দেয় রবিরত্ন হাইস্কুলকে। পরের খেলায় আইবি থাপা স্কুল শ্রীগুরু বিদ্যামন্দির হারিয়ে ফাইনালে প্রবেশ করে। বুধবার এই মাঠেই জোন ফাইনালে মুখোমুখি হবে দুটি দল। একমাত্র এই জোনেরই দুটি দল জেলা স্তরে খেলার সুযোগ পাবে। অন্য জোনগুলি থেকে শুধুমাত্র চ্যাম্পিয়ন দল জেলাস্তরে সুযোগ পাবে।
আগের দিন খেলা চলাকালীন বিকেলে বৃষ্টি হওয়ার পর রাতে আর নতুন করে বৃষ্টি হয়নি। ফলে মাঠ শুকনোই ছিল। ফলে এদিন আর অঘটনও কিছু ঘটেনি। কড়া রোদে এ দিন মাঠে উৎসাহী দর্শকের সংখ্যাও ছিল গত দিনের তুলনায় বেশি। এদিন দুটি সেমিফাইনালেই উপভোগ্য লড়াই হয়েছে। শিলিগুড়িতে মহিলা ফুটবলের চর্চা বাড়াতে এই প্রতিযোগিতা সাহায্য করছে বলে মনে করছেন শিলিগুড়ি জেলা স্কুল স্পোর্টস বোর্ডের সদস্য মদন ভট্টাচার্য। স্কুলস্তর থেকেই মেয়েরা বেশি করে এগিয়ে এলে শিলিগুড়ি থেকেও রাজ্যস্তরে ভাল খেলোয়াড় অংশ নিতে পারবে বলে মনে করছেন অংশগ্রহণকারী দলের কোচ, উৎসাহী শিক্ষক ও ক্রীড়াপ্রেমীরা।
এদিন দুটি সেমিফাইনালের প্রথম খেলায় তুল্যমূল্য লড়াই হয়েছে। অমিয় পালের দলটির সঙ্গে সমানে পাল্লা দিয়ে গিয়েছে রবিরত্নের মেয়েরা। প্রথমার্ধে একটি গোলে এগিয়ে যায় অমিয় পাল। দ্বিতীয়ার্ধে আরও দুটি গোল করে অমিয় পাল। বিজয়ী দলের হয়ে গোল করেন, রিয়া মণ্ডল, জেসমিন ওঁরাও এবং মণিকা ওঁরাও। তবে পরের খেলার পরে অনেকেই মনে করেছেন প্রতিযোগিতার অঘোষিত ফাইনাল ছিল এটাই। এতটাই তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল। অ্যামেচার ফুটবলার হয়েও আইবি থাপা ও শ্রীগুরু দু’দলই অসংখ্য সুযোগ তৈরি করেছে। দুটি দলই একটি করে গোল করায় খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। টাই ভেঙে ফাইনালের ছাড়পত্র আদায় করে নেয় আইবি থাপার মেয়েরা। আইবি থাপার হয়ে গোল করেন মণিকা তামঙ্গ এবং শ্রীগুরুর হয়ে গোল করেন রিম্পা রায়।
গতবারের এই প্রতিযোগিতার জেলা চ্যাম্পিয়ন ছিল আইবি থাপা নেপালি স্কুল। রানার্স হয় রবিরত্ন হাইস্কুল। কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে জেলা স্তরের খেলা শুরু ২৫ জুলাই।