—প্রতীকী চিত্র।
মণিপুর-সহ দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির বঞ্চনা নিয়ে আজ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সরব হলেন তৃণমূল-সহ বিরোধীরা। সূত্রের খবর, কমিটির সদস্য তথা তৃণমূলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন বিষয়টি নিয়ে কমিটির চেয়ারপার্সন রাধামোহন দাস আগরওয়ালকে চিঠি লিখেছেন। আজ বৈঠকে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সচিব। বিজেপি সাংসদ রাধামোহন বিরোধীদের সঙ্গে একমত হয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে চিঠিটি পাঠিয়েছেন। তিনি সদস্যদের জানান, আগামী তিন দিনের মধ্যে সদস্যদের প্রশ্নগুলির উত্তর দেবে মন্ত্রক।
তথ্য ও পরিসংখ্যান দিয়ে আজ মন্ত্রকের কর্তাদের বিরোধীরা বলেছেন, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়নের জন্য যে টাকা বাজেটে ধার্য করা হয়েছিল, তা খরচ করা হয়নি। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে তার ৪১ শতাংশ এবং ২০২৫-২৬-এ তার ৩৬ শতাংশ পড়ে থেকেছে। বলা হয়েছে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ অর্থাৎ পিএম সৌর ঘরের প্রকল্প উত্তর-পূর্বাঞ্চলে চুড়ান্ত ব্যর্থ। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়ন সংক্রান্ত মন্ত্রকে খালি পদের ২৫ শতাংশ পূর্ণ হয়নি, ফাঁকা পড়ে রয়েছে। সূত্রের খবর, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাশাপাশি, পশ্চিমবঙ্গের প্রসঙ্গও তুলেছেন তৃণমূল সাংসদ, প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় ত্রাণের প্রসঙ্গে। পরিসংখ্যান দিয়ে দেখানো হয়েছে গত কয়েক বছরে বন্যা ও সাইক্লোনে হাজার হাজার কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে কেন্দ্রের কাছে।
ঘটনাচক্রে আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দিল্লিতে মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী ইয়ুমমান খেমচাঁদের সঙ্গে দেখা করেন। ২০২৩ সালে মণিপুর সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পরে এই প্রথম সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করলেন মোদী। সংঘর্ষের পর থেকে প্রধানমন্ত্রী দিল্লিতে তদনীন্তন মুখ্যমন্ত্রী বা অন্য মন্ত্রী-বিধায়কের সঙ্গে দেখা না করায় বিস্তর সমালোচনা হয়েছিল। ক্ষোভ ছিল দলেও। মেইতেইদের বার বার দাবি ও কংগ্রেসের সমালোচনার পরেও মণিপুরে আসছিলেন না তিনি।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে