Indranil Sen

ইউনেস্কোর ‘নাম ভাঙিয়ে’ শারদোৎসবে ‘ব্যবসা’ করার অভিযোগ সস্ত্রীক প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল-সহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে

ইউনেস্কোর নাম বিভ্রান্তিকর ভাবে ব্যবহার করার অভিযোগে প্রাক্তন মন্ত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেন-সহ মোট পাঁচজনের বিরুদ্ধে কলকাতা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬ ০২:১৪
Share:

প্রাক্তন মন্ত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী ইন্দ্রনীল সেন। —ফাইল চিত্র।

কলকাতার শারদীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে বেআইনি বাণিজ্য এবং ইউনেস্কোর নাম বিভ্রান্তিকর ভাবে ব্যবহার করার অভিযোগে প্রাক্তন মন্ত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেন-সহ মোট পাঁচ জনের বিরুদ্ধে কলকাতা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে এই অভিযোগ জমা পড়েছে কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দ, রাজ্যের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত এবং বৌবাজার থানায়। সস্ত্রীক ইন্দ্রনীল ছাড়াও যাঁদের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, তাঁরা হলেন ধ্রুবজ্যোতি বসু (শুভ), সায়ন্তন মৈত্র এবং রাজন চট্টোপাধ্যায়।

Advertisement

অভিযোগকারীদের মধ্যে রয়েছেন মেঘদূত ফাউন্ডেশনের কর্ণধার জয়দীপ মুখোপাধ্যায় এবং সগুনা মুখোপাধ্যায়। তাঁদের দাবি, দুর্গাপুজোর নামে একটি ‘প্রিভিউ শো’ এবং ‘প্রিভিলেজড পুজো এন্ট্রি’ টিকিট বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়, যেখানে ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, এই কর্মসূচিকে এমন ভাবে প্রচার করা হয়েছে যাতে মনে হতে পারে এর সঙ্গে সরাসরি ইউনেস্কোর অনুমোদন বা অংশীদারি রয়েছে। কিন্তু অভিযোগকারীদের দাবি, ইউনেস্কো কোনওদিনই এ ধরনের বাণিজ্যিক চুক্তি বা অংশীদারিতে সম্মতি দেয়নি। তাঁদের বক্তব্য, ইউনেস্কোর পক্ষ থেকে প্রাপ্ত ই-মেল এবং সংশ্লিষ্ট আইনি নথিপত্র অভিযোগের সঙ্গে জমা দেওয়া হয়েছে, যেখানে এই ধরনের বাণিজ্যিক ব্যবহারের কোনও অনুমোদনের উল্লেখ নেই।

অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেছেন, দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক পর্যটনের নামে একটি বাণিজ্যিক মডেল তৈরি করে টিকিট বিক্রির মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। তাঁদের মতে, বিশ্বের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মর্যাদাপ্রাপ্ত কলকাতার দুর্গাপূজাকে ব্যবহার করে এ ধরনের কার্যকলাপ ঐতিহ্যের ভাবমূর্তির পক্ষে ক্ষতিকর। ঘটনায় পুলিশি তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসন কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে ইন্দ্রনীল বা মধুছন্দার পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং নথিপত্র খতিয়ে দেখার পরেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement