madhyamik 2022: প্রস্তুতির সুযোগ মিলল কই, খেদ স্বপ্ননীলদের

যেটুকু অনলাইন পড়া হয়েছে তাতে শোনা গেলেও ব্রেইল পাঠ আর হয়নি।

Advertisement

শুভদীপ পাল 

শেষ আপডেট: ০৫ মার্চ ২০২২ ০৭:৫৯
Share:

দৃষ্টিহীন মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতি। নিজস্ব চিত্র।

ছোঁয়া আর শোনা এই দুই উপায়ে পড়াশোনা করেন দৃষ্টিহীন পড়ুয়ারা। পঠনপাঠন হয় ব্রেইল পদ্ধতিতে। কিন্তু, যেটুকু অনলাইন পড়া হয়েছে তাতে শোনা গেলেও ব্রেইল পাঠ আর হয়নি। তাই পড়ার যতটুকু সুযোগ মিলেছিল, সেটাও হয়েছে আংশিক। এ দিকে মাধ্যমিক পরীক্ষা হবে অফলাইনে। প্রস্তুতিতে ঘাটতি থেকে যাওয়ায় চিন্তায় সিউড়ি ‘শ্রী অরবিন্দ ইনস্টিটিউট ফর সাইটলেস’-এর চার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। এখন শেষ যেটুকু সময় আছে তার সব সুযোগটুকু নিয়ে চলছে জোর প্রস্তুতি।

Advertisement

সোমবার শুরু মাধ্যমিক। ২০২০ সালে করোনার প্রকোপ শুরু হওয়ার কয়েক দিন আগেই মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হয়েছিল। ২০২১ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়া যায়নি। এখন শিয়রে পরীক্ষা। তার আগে খামতি দূর করতে চলছে লড়াই। শিক্ষকরাও পড়ুয়াদের জন্য পরিশ্রম করছেন।

স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বছর স্কুলের চার পড়ুয়া মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে। কারও বাড়ি উত্তরবঙ্গে, কারও মুর্শিদাবাদে। মহম্মদবাজার এলাকায় পড়ুয়াও আছে।

Advertisement

এ দিকে, স্কুল খুললেও হস্টেল চালু না হওয়ায় এত দিন দূরের তিন পড়ুয়া স্কুলে আসতে পারেনি। তাতেও কিছু সমস্যা হয়েছে।

স্কুলের তরফে জানা গিয়েছে, অনলাইনে ক্লাসের পাশাপাশি পাঠ্যবস্তু ‘চিপে’ রেকর্ড করে পড়ুয়াদের পাঠানো হয়েছিল। যাতে সেগুলো শুনে পড়াশোনা করতে পারে। দিন কুড়ি আগে স্কুলে ডেকে ১০ দিনের স্পেশাল ক্লাস করানো হয়েছিল। চলতি সপ্তাহের সোমবার থেকে পড়ুয়ারা হস্টেলেও ফিরেছে। প্রধান শিক্ষক সন্দীপ দাসের আশা, ‘‘প্রশাসন নানা ভাবে সাহায্য করে থাকে। আমরাও সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। আশা করি পড়ুয়ারা ভাল ভাবে উত্তীর্ণ হবে।’’

পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, অঙ্কের ক্ষেত্রে খুব সমস্যা হয়েছে অনলাইনে ক্লাসে।
ভূগোলের ম্যাপ চেনা যায়নি। মুর্শিদাবাদের শুকুরিয়ার বাসিন্দা কৃষ্ণ ভল্লা বলে, ‘‘স্কুলে যেমন পড়তাম। তেমন কিছুই হয়নি। তবে এখন স্কুলে ভাল ভাবে পড়াশোনা করছি।’’ মন দিয়ে পড়ার কথা বলছে মহম্মদবাজারের কামারপাড়ার মান্তু দাস, মালদার বাঘিটোলার জয়কৃষ্ণ সরকার এবং সিউড়ির স্বপ্ননীল রায়রাও। অধিকাংশ দৃষ্টিহীন পড়ুয়ারা এই সমস্যা তাও জানাচ্ছেন শিক্ষক, পড়ুয়ারা।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement