টুকরো খবর

স্কুলের একাধিক সমস্যায় বিডিও ও অবর বিদ্যালয় পরিদর্শকের দ্বারস্থ হলেন রাইপুরের দুন্দার সোনাগাড়া আশুতোষ বিদ্যাপীঠের কয়েকজন শিক্ষক। অভিযোগ পত্রে ওই স্কুলের ১২ জন শিক্ষক স্বাক্ষর করেছেন। তাঁদের মধ্যে শিক্ষক অভিজিত্‌ আচার্য, দীপককুমার মাহাতো, জয়দেব মণ্ডলদের অভিযোগ, ২০০৯ সাল থেকে স্টাফ কাউন্সিলের বৈঠক ডাকা হয়নি।

Advertisement
শেষ আপডেট: ০৩ ডিসেম্বর ২০১৪ ০০:৪০
Share:

রাইপুরে স্কুল নিয়ে নালিশ
নিজস্ব সংবাদদাতা • রাইপুর

Advertisement

স্কুলের একাধিক সমস্যায় বিডিও ও অবর বিদ্যালয় পরিদর্শকের দ্বারস্থ হলেন রাইপুরের দুন্দার সোনাগাড়া আশুতোষ বিদ্যাপীঠের কয়েকজন শিক্ষক। অভিযোগ পত্রে ওই স্কুলের ১২ জন শিক্ষক স্বাক্ষর করেছেন। তাঁদের মধ্যে শিক্ষক অভিজিত্‌ আচার্য, দীপককুমার মাহাতো, জয়দেব মণ্ডলদের অভিযোগ, ২০০৯ সাল থেকে স্টাফ কাউন্সিলের বৈঠক ডাকা হয়নি। স্কুলের ছাত্রাবাস বন্ধ করা হয়েছে। কয়কজন শিক্ষকের সার্ভিস বুক এবং পিএফ এর লেজার আপডেট করা হয়নি। প্রধান শিক্ষক অধিকাংশ সহ-শিক্ষকের সঙ্গে চূড়ান্ত দুর্ব্যবহার করছেন। শিক্ষক সংঘটনের এক নেতাকে বাড়তি সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে। যদিও প্রধানশিক্ষক শিবদাস গড়াইয়ের দাবি, “স্কুলে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে আমি কিছু কড়া পদক্ষেপ করেছি। সে কারণেই কয়েকজন শিক্ষক আমাকে দীর্ঘদিন ধরে হেনস্থার চেষ্টা চালাচ্ছেন। হস্টেল বন্ধ হয়েছে ওই শিক্ষকদের জন্যই।” তাঁর দাবি, তদন্ত হলেই আসল সত্য প্রকাশ পাবে। রাইপুরের বিডিও দীপঙ্কর দাস বলেন, “অবর বিদ্যালয় পরিদর্শককে বিষয়টি তদন্ত করতে বলেছি।” ওই স্কুলের প্রশাসক তথা রাইপুর চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক পার্থসারথি মণ্ডল বলেন, “ওই স্কুলে কিছু সমস্যা রয়েছে বলে সহ-শিক্ষকরা জানিয়েছেন। প্রধান শিক্ষককে সমস্যা সমাধানে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছি। হস্টেলটি চালু করার চেষ্টা চলছে।”

Advertisement

মেলার ধার ৩৮ লক্ষ টাকা
নিজস্ব সংবাদদাতা • বিষ্ণুপুর

গত কয়েক বছরে মেলা আয়োজনের ধার রয়ে গিয়েছে। তাই এ বারও বিষ্ণুপুর মেলার বাজেট ছাঁটা হতে পারে। মঙ্গলবার বিষ্ণুপুর মহকুমাশাসকের সভাকক্ষে মেলা কমিটির প্রথম বৈঠকের পরে এমনই আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন কমিটির সভাপতি তথা রাজ্যের বস্ত্র মন্ত্রী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “গত কয়েক বছরের মেলায় প্রায় ৩৮ লক্ষ টাকা ধার রয়েছে। বাজেট কিছুটা ছাঁটাই করে এ বারও সরকারি উদ্যোগে যথারীতি মেলা করা হবে।’’ উল্লেখ্য, গতবারও মেলার বাজেট হ্রাস করা হয়। সে বারও মেলা কমিটি জানিয়েছিল, বকেয়া বাকি রয়েছে। তার আগের বার বড় বাজেটের মেলা হয়েছিল। এ বারও মেলা চলবে ২৩-২৭ ডিসেম্বর। মন্ত্রী জানান, এ বার নিরাপত্তায় স্বেচ্ছাসেবকের বদলে সিভিক পুলিশ কর্মীরা থাকবেন। তবে মেলার বাজেট এ দিন ঘোষিত হয়নি। মেলার সদস্য সচিব তথা বিষ্ণুপুরের মহকুমাশাসক পলাশ সেনগুপ্ত বৈঠকে থাকতে পারেননি। পরে তিনি বলেন, “অন্য একটি সরকারি সভায় সোনামুখীতে গিয়েছিলাম। ফিরতে সামান্য দেরি হওয়ায় মেলা সংক্রান্ত বৈঠকে থাকতে পারিনি।”

Advertisement

সাক্ষরতায় পড়ুয়ারা
নিজস্ব সংবাদদাতা • নিতুড়িয়া

কলেজের পড়ুয়াদের মাধ্যমে সাক্ষরতা কর্মসূচি শুরু করল নিতুড়িয়ার পঞ্চকোট মহাবিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সহায়তায় এই কর্মসূচি। কলেজের অধ্যক্ষ সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় বলেন, “নিছক পড়াশোনার মধ্যে ছাত্রছাত্রীদের আবদ্ধ না রেখে তাঁদের সামাজিক ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালনে আগ্রহী করতেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।” তিনি জানান, সম্প্রতি এই সাক্ষরতা কর্মসূচি খতিয়ে দেখে ছাত্রছাত্রীদের সাথে প্রকল্পটি নিয়ে বিশদে আলোচনা করে যান রাজ্য মাস এডুকেশন দফতরের আধিকারিক শুভজিত্‌ মণ্ডল। কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘অ্যাডাল্ট অ্যান্ড চাইল্ড লিটারেসি বাই স্টুডেন্ট ভলেন্টিয়ার্স’ নামের এই কর্মসূচিতে আপাতত কলেজের ৩০ জন পড়ুয়াকে বাছাই করা হয়েছে। তাঁরা প্রত্যেকে এলাকার ১০ জনকে সাক্ষর করবেন। মূলত শিশু শ্রমিকদের সাক্ষর করাই লক্ষ্য। কাজ দেখার জন্য ছয় মাসে দু’বার মূল্যায়ন করা হবে।

প্রয়াত ঈশ্বর ত্রিপাঠী
নিজস্ব সংবাদদাতা • বাঁকুড়া

চলে গেলেন ‘গ্রাম্য কবি’-র কবি ঈশ্বর ত্রিপাঠী। আসল নাম অবশ্য তারাপদ ধর। মঙ্গলবার বিকেলে বাঁকুড়ার একটি নার্সিংহোমে সত্তর দশকের বিশিষ্ট এই কবির মৃত্যু হয়। তাঁর বয়স গড়িয়েছিল সত্তরের কোঠায়। কর্মজীবনে ছিলেন বাঁকুড়া খ্রীস্টান কলেজের অর্থনীতির অধ্যাপক। থাকতেন, শহরের স্কুলডাঙ্গায়। ‘ঈশ্বর বেদ’, ‘সাপ’ কাব্যগ্রন্থের সঙ্গে বাংলা সাহিত্যের পাঠক মনে রাখবে তাঁর ‘ঈশ্বরের বিরুদ্ধে’-র মতো প্রবন্ধগ্রন্থও। সাহিত্যের পাশাপাশি অর্থনীতির প্রবন্ধও লিখেছেন ঈশ্বর। সম্পাদনা করতেন, ‘সক্রেটিস’ শীর্ষক একটি পত্রিকারও। এ ছাড়া সম্পাদনা করেছেন বাঁকুড়ার কবিদের নিয়ে একটি কবিতা সংকলনেরও।

ধৃত সন্দেহভাজন
নিজস্ব সংবাদদাতা • দুবরাজপুর

দুবরাজপুর ও পাশের এলাকায় মোটরবাইক ও অন্য জিনিসপত্র চুরির সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে শেখ বসির নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল দুবরাজপুর থানার পুলিশ। মঙ্গলবার দুবরাজপুরের খোঁয়াজ মাহম্মদপুর গ্রাম থেকে তাকে ধরে পুলিশ। ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে এর আগেও বাইক চুরির একাধিক অভিযোগ বিভিন্ন থানায় রয়েছে। তবে ধৃতকে নিয়ে আসার পথে এক পুলিশ কর্মীর হাতে কামড় বসিয়ে পালানোর ব্যর্থ চেষ্টা করে সে। প্রসঙ্গত, বেশ কিছুদিন যাবত দুবরাজপুর থানা এলাকার একাধিক বাড়িতে ও মোটরবাইক চুরির ঘটনা ঘটছিল।

ধৃত স্বর্ণ ব্যবসায়ী

চোরাই সোনার গয়না কেনার অভিযোগে এক স্বর্ণ ব্যাবসায়ীকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ। ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার দুপুর ১২টা নাগাদ সাঁইথিয়ার আমোদপুরে। ধৃতের নাম গৌতম কর্মকার। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আমোদপুর এলাকার বড়সাংরা গ্রামের মিলন ঘোষ নামে এক যুবকের কাছ থেকে গৌতমবাবু চোরাই সোনা কেনেন বলে অভিযোগ। পুলিশ জানায়, বড়সাংরার মিলনের মোবাইল ফোনে পাতা ফাঁদে পড়ে কলকাতার গড়িয়াহাট এলাকার এক তরুণী সর্বস্ব খুইয়েছেন। কেমন সেই ফাঁদ? প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, মিলন কোনও ভাবে মেয়েদের ফোন নম্বর জোগাড় করত। তারপর ফোনেই ভাব জমানোর চেষ্টা করত। ভাব জমিয়ে সুযোগ মতো তাঁদের সর্বস্ব নিয়ে চম্পট দিত। এই ভাবে সে বেশ কয়েকজন তরুণীর সঙ্গে প্রতারণা করেছে বলেও পুলিশ জানতে পেরেছে। ওই সব তরুণীরা যে কোনও কারণেই হোক তা নিয়ে উচ্চবাচ্য করেননি। কিন্তু বাধ সাধল গড়িয়াহাটের তরুণী। পুলিশ জানায়, ওই তরুণীকেও একই কায়দায় ফাঁসিয়েছিল মিলন। তাঁরও সোনা-দানা নিয়ে চম্পট সে। তখন ওই তরুণী পুলিশের দ্বারস্থ হন। গত বছর গড়িয়াহাট থানায় এ ব্যাপারে অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ দিন তিনেক আগে তাকে কলকাতা থেকে ধরে এবং আদালতে তোলা হলে পুলিশি হেফাজত হয়। পুুলিশের দাবি, জেরায় মিলন জানিয়েছে, তরুণীদের কাছ থেকে চুরি করা সোনার গয়না সে আমোদপুরের স্বর্ণ ব্যাবসায়ী গৌতম কর্মকারকে বিক্রি করেছে। এ দিন তাকে সঙ্গে নিয়ে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় গড়িয়াহাটের পুলিশ সোনার দোকানে হানা দিয়ে মালপত্র-সহ গৌতমবাবুকে গ্রেফতার করে।

প্রতিবাদ চলছেই

পড়ুয়াদের অভ্যন্তরীণ সংরক্ষণ পুনর্বহালের দাবিতে কাল, বৃহস্পতিবার শিক্ষাপত্র এবং শুক্রবার পাঠভবনে প্রতীকী পঠনপাঠন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অভিভাবক ও পড়ুয়ারা। মঙ্গলবার রাতে বিশ্বভারতীর কেন্দ্রীয় দফতরের পাশে পড়ুয়া ও অভিভাবকদের জরুরি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পড়ুয়াদের এই আন্দোলনকে সমর্থন করার জন্য বিদ্যা ও ভাষা ভবনের ৯ জন ছাত্রকে এ দিনই বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছেন বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে অভ্যন্তরীণ সংরক্ষণ তুলে দেওয়ার প্রতিবাদে সরব হয়েছিল পড়ুয়ারা। গত কয়েক দিন ধরে দফায় দফায় ক্লাস ও পরীক্ষা বয়কট করছে তারা। পাশাপাশি আশ্রম ও ছাতিমতলায় অবস্থান-বিক্ষোভ কর্মসূচিও পালন করছে পড়ুয়ারা। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষও অভ্যন্তরীণ এই সংরক্ষণ তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন।

পুড়ে ছাই দু’টি বাড়ি

আগুন লেগে ভস্মীভূত হয়ে গেল দু’টি খড়ের ছাউনি বাড়ি। মঙ্গলবার সকালে ঘটনাটি ঘটে খয়রাশোলের বিশালপুর গ্রামে। স্থনীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ পেশায় দীনমজুর বারু বাউড়ি ও মড়াই বাউড়ি নামে দুই বাসিন্দার বাড়িতে আগুন লাগে। পড়শিরাই আগুন নেভাতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। ঘণ্টা দেড়েকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও বাঁচানো যায়নি দু’টি বসত বাড়ি। আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি।

দুর্ঘটনায় মৃত্যু

পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল এক যুবকের। পুলিশ জানায়, মৃত যুবকের নাম আনারুল সেখ (৪০)। বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার সুতি থানার বহুতালি এলাকায়। সোমবার রাতে সাইকেলে চেপে বাড়ি যাওয়ার সময় মুরারই থানার রাজগ্রাম সীমান্ত ঘেঁষা কাশিমনগরের কাছে একটি লরি ওই যুবককে ধাক্কা মেরে চলে যায়। ঘটনাস্থলে ওই যুবকের মৃত্যু হয়।

মরণকূপ

শীত আসতেই তাঁবু ফেলেছে সার্কাস পার্টি। মরণকূপে গতির কসরত দেখতে ভিড় জমছে ভালই।
পুরুলিয়ার জি এল চার্চ মাঠে ছবিটি তুলেছেন সুজিত মাহাতো।

সরষে খেতের নজরদার। দুবরাজপুরের হালস্রোত গ্রামে ছবিটি তুলেছেন দয়াল সেগুপ্ত।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement