কুপ্রস্তাবের নালিশ

মুরারইয়ে অভিযুক্ত কলেজ শিক্ষক

কলেজের অফিসিয়াল ক্লার্ক পদে স্থায়ী নিয়োগ নিয়ে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ আনলেন এক মহিলা। মুরারইয়ের একটি কলেজের সাধারণ কর্মী হিসাবে কর্মরত ওই মহিলা সুবিচার চেয়ে সোমবার মুখ্যমন্ত্রী, রামপুরহাটের মহকুমাশাসক, ডিপিআইকে ডাকযোগে চিঠি পাঠিয়েছেন।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ অগস্ট ২০১৬ ০৩:৩০
Share:

কলেজের অফিসিয়াল ক্লার্ক পদে স্থায়ী নিয়োগ নিয়ে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ আনলেন এক মহিলা। মুরারইয়ের একটি কলেজের সাধারণ কর্মী হিসাবে কর্মরত ওই মহিলা সুবিচার চেয়ে সোমবার মুখ্যমন্ত্রী, রামপুরহাটের মহকুমাশাসক, ডিপিআইকে ডাকযোগে চিঠি পাঠিয়েছেন।

Advertisement

মঙ্গলবার স্থানীয় বিধায়ককে তার প্রতিলিপি জমা দেন। এমন অভিযোগ উড়িয়ে থানায় পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছেন অভিযুক্ত শিক্ষকও।

কয়েক মাস আগে কলেজে ‘অফিসিয়াল ক্লার্ক’ পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। তারপরেই বিতর্কের শুরু। কেমন?

Advertisement

কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহিলার স্বামী ওই কলেজেই পড়াতেন। তাঁর অকালমৃত্যুর পরে ২০০৭ সালের ৭ এপ্রিল থেকে সাধারণ কর্মী হিসাবে কাজে যোগ দেন তিনি। ‘অফিসিয়াল ক্লার্ক’ পদে লোক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হতে তাতে আবেদন করেন ওই মহিলা। গত বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি রামপুরহাটে লিখিত, পরে মৌখিক পরীক্ষায় পাশও করেন তিনি। ২৭ ফেব্রুয়ারি প্যানেল প্রকাশিত হয়। ওই মহিলার দাবি, ‘‘ওই প্যানেলে আমার নাম এক নম্বরে ছিল। তারপরেও নিয়োগ করা হচ্ছে না।’’ কেন? তাঁর সরাসরি অভিযোগ, ‘‘কলেজের ওই শিক্ষক আমাকে কুপ্রস্তাব দিয়েছে।’’ এ দিন সংবাদমাধ্যমকে আর ভেঙে কিছু বলতে চাননি ওই মহিলা।

ওই অভিযোগকে ডাহা মিথ্যে বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত শিক্ষক। তাঁর পাল্টা অভিযোগ, ‘‘শুক্রবার রাত সা়ড়ে ১০টা নাগাদ উনি ফোন করে দাবি করেন আমি নাকি চাকরির ব্যাপারে গড়িমসি করছি। এর পরেই আমাকে ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।’’ সোমবার পরিচালন সমিতির সঙ্গে বৈঠকের পরে পুলিশকে সে কথা লিখিত ভাবে জানিয়েছেন। অভিযোগ দায়ের হওয়ার কথা মেনেছে পুলিশও।

অভিযুক্ত শিক্ষকের আবার দাবি, ‘অফিসিয়াল ক্লার্ক’ পদে নিয়োগ নিয়ে কলেজ পরিচালন সমিতির বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করে এক আবেদনকারী। ফলে জট তৈরি হয়। অভিযোগকারী মহিলার অবশ্য দাবি, ‘‘হাইকোর্টের রায়ে পরিচালন সমিতি জয়ী হওয়ায় আমাকে নিয়োগ পত্র দিতে আইনি বাধা নেই।’’ সেই রায়ের কপি এখনও পাননি বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত শিক্ষক।

কলেজ পরিচালন সমিতির সভাপতির সঙ্গে এ দিন যোগাযোগ করা যায়নি। অন্য দিকে, রামপুরহাটের মহকুমাশাসক সুপ্রিয় দাস ও মুরারইয়ের বর্তমান বিধায়ক আবদুর রহমান দু’জনের কেউই অভিযোগপত্র এখনও পাননি বলে দাবি করেছেন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement