—প্রতীকী চিত্র।
চোলাই নিয়ে সচেতনতা গড়তে গ্রামাঞ্চলে প্রচারে নামল আবগারি দফতর। স্থানীয় থানার সাহায্যে এ প্রচার চালানো হচ্ছে। বৃহস্পতিবার এমনই প্রচার হয়ে গেল সিউড়ি ২ ব্লকের তাপাইপুর, ইন্দ্রগাছা-সহ একাধিক গ্রামে। এই প্রচারের সময়ে তাপাইপুর গ্রামে অল্প চোলাই ও উপকরণ উদ্ধার হয়। তা উত্তেজনাও ছড়ায়। তবে এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।
আবগারি দফতরের এক কর্তা জানান, আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবসকে সামনে এ প্রচার কর্মসূচি শুরু হয়েছে। আবগারি ও পুলিশ কর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় ক্লাব, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, গ্রামবাসীদেরও সঙ্গে নেওয়া হচ্ছে। এরমধ্যেই দুবরাজপুর, রামপুরহাট-সহ জেলার একাধিক জায়গায় প্রচার করা হয়েছে। চোলাইয়ে স্বাস্থ্যহানির পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতিও হয়। জেলার প্রান্তিক ও আর্থিক ভাবে পিছিয়ে থাকা এলাকায় চোলাই খাওয়ার প্রবণতা বেশি। এ ধরনের এলাকায় প্রচারে জোর দেওয়া হচ্ছে।
এ দিন তাপাইপুরে প্রচারের সময় দাসপাড়া এলাকার মহিলারা অভিযোগ করেন গ্রামের তিন জায়াগায় চোলাইয়ের কারবার চলে। আবগারি দফতর সূত্রে খবর, সেখানে সামান্য চোলাই ও তৈরির উপকরণ উদ্ধার করা হয়েছে। যদিও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা গষ্টমুণি সরেন বলেন, "চোলাইয়ের জন্য বাড়িতে অশান্তি হয়। আমরা চাই এ কারবার বন্ধ হোক।" জেলা বিজেপির এসটি মোর্চার কোষাধ্যক্ষ বাবলু সরেন, "চোলাইয়ের জন্য আদিবাসী সম্প্রদায়ের অনেক ক্ষতি হয়েছে। আমরা দুর্গা বাহিনীকে নিয়ে অভিযান করেছি। আগের সরকারের আমলে এ অবৈধ কারবার চলত।পালাবদল হয়েছে। এ কারবার আর চলবে না।"
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে