অসুস্থ হয়ে পড়া ব্যক্তিকে বিডিও-র গাড়ি করে নিয়ে যাওয়া হয়েছির রামপুর গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজে। —নিজস্ব ছবি।
এসআইআরের শুনানিতে গিয়ে মৃত্যু হল রাজ্যের আরও এক বাসিন্দার। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের রামপুরহাটে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, মৃতেরা নাম কাঞ্চনকুমার মণ্ডল। তাঁর বাড়ি রামপুরহাট পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে। সস্ত্রীক এসআইআর শুনানির নোটিস পান কাঞ্চন। সেই অনুযায়ী, শনিবার রামপুরহাট-১ ব্লক অফিসে হাজির হয়েছিলেন।
শুনানি চলছিল। বিডিও অফিসের সামনে লম্বা লাইন। সেখানেই অসুস্থ হয়ে পড়েন কাঞ্চন। তাঁকে উদ্ধার করতে এগিয়ে যান উপস্থিত লোকজন। অ্যাম্বুল্যান্সের খোঁজ শুরু হয়। তবে দেরি হচ্ছে দেখে, বিডিও নিজের গাড়ি দেন। ওই গাড়িতে তোলা হয় কাঞ্চনকে। রামপুরহাট গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছোয় গাড়ি। তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ওই ব্যক্তির। মৃতের পরিবার এবং স্ত্রীর অভিযোগ, এসআইআর নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন কাঞ্চন। তাঁর মৃত্যুর জন্য দায়ী কমিশন।
ওই একই দাবি করেছে রাজ্যের শাসকদলও। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সাইকেল চালিয়ে শুনানিতে পৌঁছেছিলেন কাঞ্চন। হঠাৎ করেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। অচৈতন্য অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি।
শুক্রবার হাওড়াতেও প্রায় একই ঘটনা ঘটেছে। ডোমজুড়ের বালি জগাছা ব্লক অফিসে এসআইআর শুনানিতে উপস্থিত হয়েছিলেন মদন ঘোষ নামে এক বৃদ্ধ। প্লাস্টিকের ব্যাগে নথিপত্র হাতে নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। হঠাৎ মুখ থুবড়ে পড়ে যান রাস্তায়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক।