Shyama Prasad Mookerjee

শ্যামাপ্রসাদের প্রচেষ্টায় সরকারি অনুমোদন পায় স্কুল 

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণ দিবস (২৩ জুন) ও জন্ম দিবস (৬ জুলাই)-এর মধ্যবর্তী পক্ষকালে অনুষ্ঠান চলছে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে।

দেবাশিস পাল

শেষ আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬ ০৮:৪৪
Share:

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ছবি হাতে নানুর চণ্ডীদাস স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মীরা। ছবি: কল্যাণ আচার্য।

শতবর্ষের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে নানুর চণ্ডীদাস স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়। স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা নানুরের অনাদিকিঙ্কর রায়। তবে বিদ্যালয় গড়ে ওঠার নেপথ্যে রয়েছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদান। তাঁর একটি ছবি এখনও সযত্নে রাখা আছে স্কুলের দেওয়ালে। স্কুলটি তিলে তিলে গড়ে তোলার সময়কালে তাঁর দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন শ্যামাপ্রসাদ। স্কুলে আসেন তিনি। তাঁর চেষ্টাতেই সরকারি অনুমোদন পায় এই স্কুল।

শিক্ষানুরাগী ও সমাজসংস্কারক অনাদিকিঙ্কর বহু প্রতিকূলতা পেরিয়ে স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন বহু গুণীজনের সহায়তায়। তাঁর পৌত্র মানিকচাঁদ রায় ছিলেন নানুর চণ্ডীদাস স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, পরে দীর্ঘদিন পরিচালন সমিতির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।

তিনি জানান, ১৯২৯ সালে চণ্ডীদাস বিদ্যামন্দির ও সাধারণ পাঠাগার হিসেবে পথচলা শুরু হয়। ১৯৪২ সালে প্রতিষ্ঠাতা হিন্দু মহাসভায় যোগ দেন। তাঁর আমন্ত্রণেই নানুরে আসেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। স্কুল পরিদর্শন করেন। তাঁর চেষ্টায় ১৯৪৪ সালে শিক্ষা বিভাগের অনুমোদন লাভ করে স্কুল। তিনি বলেন, “সেই সময়কালের একটি ছবি এখনও সযত্নে বিদ্যালয়ের সংরক্ষিত।”

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণ দিবস (২৩ জুন) ও জন্ম দিবস (৬ জুলাই)-এর মধ্যবর্তী
পক্ষকালে অনুষ্ঠান চলছে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে।

স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অরিজিৎ দাস বলেন, “কোনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রকৃত পরিচয় শুধুমাত্র তার প্রাচীনত্বে নয়, বরং তার ইতিহাসের গৌরবময় মুহূর্তগুলির মধ্যেই নিহিত থাকে। এই শিক্ষাঙ্গনের ইতিহাসেও তেমনই এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় রচিত হয়েছিল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আগমনের মাধ্যমে। তাঁর সেই শুভ পদার্পণ কেবল একটি সফর নয়, বরং তা ছিল স্কুলে সমৃদ্ধির এক শুভ সূচনা, যার দীপ্তি আজও আমাদের পথপ্রদর্শক।”

শ্যামাপ্রসাদের অবদানে অবহিত প্রাক্তনী ও বর্তমান ছাত্রছাত্রীরাও। প্রাক্তনী মলয় সাহা, অনিন্দ্য পাল থেকে বর্তমানের শিক্ষার্থী দিব্যেন্দু পাল, ঈশিতা দত্ত জানান, শিক্ষকদের কাছে শোনা, তাঁরা প্রতিষ্ঠা দিবস ও অন্যান্য অনুষ্ঠানে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্কুলে আসা ও অবদানের কথা তুলে ধরেছেন। সেই ইতিহাস পড়ুয়াদের কাছে অত্যন্ত গৌরবের।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন