Suri Municipality

ঘন ঘন পঞ্চায়েতে কেন, চর্চায় উজ্জ্বল

সিউড়ি বিধানসভার প্রার্থী কে হবেন? গত কয়েক মাস এ নিয়ে জল্পনা চলেছে এলাকায়। সেখানে বিকাশের পাশাপাশি উজ্জ্বলের নামও উঠে এসেছে।

শুভদীপ পাল 

শেষ আপডেট: ১৪ মার্চ ২০২৬ ০৯:১৯
Share:

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

তিনি পুরসভার চেয়ারম্যান। কিন্তু সম্প্রতি ঘনঘন পঞ্চায়েত এলাকায় যেতে শুরু করেছেন। আর তাতেই দলের মধ্যে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি সামনের বিধানসভা নির্বাচনে সিউড়িতে তৃণমূলের প্রার্থী হতে চলেছেন সিউড়ির চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়? তৃণমূলের অন্দরে খবর, জেলা তৃণমূলের এক শীর্ষ নেতা উজ্জ্বলকে না কি পঞ্চায়েত এলাকায় এ ভাবে যেতে বারণও করেছেন। যা নিয়ে কটাক্ষ করেছে বিরোধীরা। যদিও উজ্জ্বলের দাবি, ‘‘কেউ কোন বারণ করেননি। সম্পূর্ণ ভুল তথ্য।’’ যদিও বর্তমান বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরীও জানিয়েছেন, উজ্জ্বল পঞ্চায়েত এলাকায় যেতেই পারেন।

সিউড়ি বিধানসভার প্রার্থী কে হবেন? গত কয়েক মাস এ নিয়ে জল্পনা চলেছে এলাকায়। সেখানে বিকাশের পাশাপাশি উজ্জ্বলের নামও উঠে এসেছে। অভিযোগ, এলাকার রাজনীতিতে দু’জনের দ্বন্দ্বের ছবি আগে একাধিক বার প্রকাশ্যে এসেছে। তৃণমূল সূত্রে খবর, দু’জনের দ্বন্দ্বের অন্যতম কারণ বিধায়ক পদের প্রার্থীপদ। সম্প্রতি উজ্জ্বলের ঘনঘন পঞ্চায়েত এলাকায় যাওয়া নিয়ে তাই জল্পনা তৈরি হয়েছে।

তৃণমূল সূত্রে খবর, গত কয়েক দিনে উজ্জ্বল কখনও খটঙ্গা পঞ্চায়েত এলাকায় গিয়েছেন। সেখানে গিয়ে তিনি ভাণ্ডীরবন এলাকায় একটি মন্দিরে পুজো দিয়েছেন। সূত্রের খবর, পুজোর পরে স্থানীয় শাসকদলের নেতাদের সঙ্গে একটি বৈঠকও করেন উজ্জ্বল। যদিও এই বৈঠকের সঙ্গে তৃণমূলের ঘোষিত কর্মসূচির কোনও সম্পর্ক নেই।

কেবল খটঙ্গা নয়। ঘাসফুল শিবির সূত্রে খবর, একই ভাবে মন্দিরে পুজো দিতে উজ্জ্বল কড়িধ্যা, মল্লিকপুর, ভুরকুনা-সহ একাধিক পঞ্চায়েত এলাকায় গিয়েছেন। যদিও উজ্জ্বল বলেন, "হ্যাঁ আমি পুজো দেওয়ার জন্য একাধিক পঞ্চায়েত এলাকায় গিয়েছি। সেখানে কর্মীদের সঙ্গে কথাও বলেছি। তাঁরাও আমাকে তাঁদের দাবিদাওয়া জানিয়েছে। আমি এক জন তৃণমূল কর্মী হিসাবে যেখানে খুশি যেতে পারি। মানুষের সমস্যার কথাও জানতেও পারি।"

যদিও, শাসক দলের অন্দরের গুঞ্জন যে, উজ্জ্বলের এই ভূমিকায় জেলা তৃণমূলের এক শীর্ষ নেতা উষ্মা প্রকাশ করেছেন। তবে, প্রকাশ্যে কেউ বিষয়টি মানতে চাননি। যদিও উজ্জ্বলের প্রতিক্রিয়া, "আমাকে কেও কোন বারণ করে নি। সম্পূর্ণ ভুল তথ্য।"

অন্য দিকে, বিজেপির বীরভূম সাংগঠনিক জেলার সভাপতি উদয়শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের কটাক্ষ, "জেলা জুড়ে তৃণমূলের ব্যাপক গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রয়েছে। এটাও তারই নমুনা। কেউ হয় তো চেয়ারম্যানকে বলেছেন বিকাশবাবু এ বার টিকিট পাচ্ছেন না। তাই তিনি গ্রামীণ এলাকায় প্রচার করতে যাচ্ছেন।"

অন্য দিকে, বিকাশ বলেন, ‘‘কে কোথায় প্রচারে যাবে, সেটা তাঁর ব্যাপার। বিজেপির কথায় তো আর আমাদের দলের লোক চলবে না। আর উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় তো তৃণমূলেরই লোক। তাই তিনি পঞ্চায়েত এলাকায় যেতেই পারেন।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন