Sourced by the ABP
বেলিয়াতোড়ের মেচা সন্দেশ জিআই তকমা পাওয়ায় উচ্ছ্বসিত জেলার মিষ্টি ব্যবসায়ীরা। খুশি ভোজন রসিকেরাও। মিষ্টি ব্যবসায়ীরা জানান, এই স্বীকৃতি পেতে তাঁরা দীর্ঘ দিন ধরে লড়াই চালিয়েছেন। এত দিনে তা সফল হল। মেচা সন্দেশের জনপ্রিয়তা ভিন্ রাজ্যে ও বিদেশে ছড়িয়ে দিতে সরকারি সাহায্যের আবেদন রেখেছেন তাঁরা।
বৃহস্পতিবার কেন্দ্র বেলিয়াতোড়ের মেচা সন্দেশ-সহ এক লপ্তে রাজ্যের ২৩টি পণ্যের জিআই তকমা প্রাপ্তির কথা জানিয়েছে। বেলিয়াতোড়ের মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী সমিতির হীরালাল দে বলেন, ‘‘২০২২ সাল থেকেই জিআই তকমার জন্য আবেদন হয়েছিল। নানা প্রক্রিয়া অনেক দিন ধরে চলেছে। তবে বর্তমান সরকারের আমলে এই স্বীকৃতি পাওয়া গেল।’’ মিষ্টি ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, বাঁকুড়ার আম যেমন ভারতবর্ষের বিভিন্ন জায়গায় জনপ্রিয় হয়েছে। সে ভাবেই যাতে বেলিয়াতোড়ের মেচাকে রাজ্যের বাইরে এবং বিভিন্ন জেলায় জনপ্রিয় করতে সরকারি উদ্যোগের প্রয়োজন। বেলিয়াতোড়ের এক মেচা প্রস্তুতকারক ভগবান দাস মোদক বলেন, ‘‘সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে মেচা শিল্প আরও জনপ্রিয় হবে। অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হবে।’’
মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী সমিতির অন্যতম কর্মকর্তা মধুসূদন মহন্তের মতে, ‘‘আমাদের মেচা যাতে রপ্তানি করা যেতে পারে, সে জন্য সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। জেলাগুলির মিষ্টি মেলায় যাতে বেলিয়াতোড়ের মেচা পৌঁছনো যায়, সে বিষয়েও সরকারি সহায়তা দরকার।’’ তিনি জানান, মেচা এক মাস পর্যন্ত রেখে খাওয়া যায়। কাজেই মেচা বিদেশেও পাঠানো সম্ভব। বিভিন্ন স্বাদের মেচা তৈরি করছেন বড়জোড়ার সুকুমার মোদক। তিনি বলেন, ‘‘চকোলেট, আম, কাঁঠাল-সহ বিভিন্ন স্বাদের মেচা নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন মেলায় যাওয়ার ডাক পেয়েছি। ভোজন রসিকদের তারিফও পেয়েছি।’’
মেচা সন্দেশের কারিগরদের মতে, মেচা তৈরির বেশ কয়েকটি ধাপ রয়েছে। তাই এখন অনেকেই অনেকেই মেচা বানাতে চান না। মেচা রফতানির সুযোগ তৈরি হলে করিগরদের আগ্রহ বাড়বে।
েমচা কি এ বার নিয়মিত বিমানে সওয়ার হবে? উত্তর দেবে সময়।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে