Visva Bharati University

বায়োমেট্রিক হাজিরায় আপত্তি বিভিইউএফএ-র

এর পরে বিবৃতি প্রকাশ করে বিভিইউএফএ। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্প্রতি উপাচার্যের ডাকা বিভাগীয় প্রধান ও অধ্যক্ষদের বৈঠকে বিষয়টি আলোচনা হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ এপ্রিল ২০২৬ ০১:০৭
Share:

বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল চিত্র।

বিশ্বভারতীতে শিক্ষক ও কর্মীদের জন্য বায়োমেট্রিক হাজিরা চালুর প্রস্তাবের বিরুদ্ধে তীব্র আপত্তি জানালো অধ্যাপক সংগঠন ভিবিইউএফএ। সম্প্রতি শিক্ষক সংগঠনের তরফে বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হয়, কোনও ভাবেই এবং কোনও অজুহাতে এ ব্যবস্থা মেনে নেওয়া হবে না। বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।

বিশ্বভারতীর শান্তিনিকেতন, শ্রীনিকেতন ক্যাম্পাসে শিক্ষক ও কর্মীদের জন্য বায়োমেট্রিক হাজিরা ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত আগেই জানিয়েছিলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য প্রবীরকুমার ঘোষ। সে মতো বায়োমেট্রিক যন্ত্রও বসানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও সে যন্ত্রে হাজিরা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। দ্রুত এ প্রক্রিয়া কার্যকর করা হবে বলে বিশ্বভারতী সূত্রের খবর।

এর পরে বিবৃতি প্রকাশ করে বিভিইউএফএ। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্প্রতি উপাচার্যের ডাকা বিভাগীয় প্রধান ও অধ্যক্ষদের বৈঠকে বিষয়টি আলোচনা হয়। সেখানে অনেকে এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন। সংগঠনের মতে, শিক্ষকদের কাজ পড়ানো, পরামর্শদান, ছাত্রছাত্রীদের মূল্যায়ন ও গবেষণা। নির্দিষ্ট সময়ে ‘সাইন-ইন’ দিয়ে বিষয়টি পরিমাপ করা যায় না। এতে শিক্ষকের ভূমিকা ও মর্যাদা খাটো হয় বলে বিভিইউএফএ-র দাবি।

সংগঠন তরফে আরও জানানো হয়, পর্যাপ্ত পরিকাঠামোর অভাব, গবেষণার জন্য তহবিলের সঙ্কট— এ সবের মধ্যেও শিক্ষকেরা নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। বায়োমেট্রিক হাজিরা চালু সমস্যার সমাধান নয় বরং এতে আরও জটিলতা তৈরি করবে বলে সংগঠনের দাবি। সংগঠনের দাবি, এ ব্যবস্থা চালু হলে ‘আন্তরিক’ শিক্ষকেরা হতাশ হয়ে পড়বেন। অন্যরা অন্য উপায় খুঁজে নেবেন। এ ছাড়া, বায়োমেট্রিক হাজিরা শিক্ষকদের চাকরির নিয়মকানুন ও শর্তের বিরোধী বলেও দাবি করা হয়েছে বিবৃতিতে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে উচ্চ আদালত এ ধরনের ব্যবস্থার উপরে স্থগিতাদেশ দিয়েছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

উপাচার্যের কাছে সংগঠনটির আবেদন, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আস্থা অর্জন করে তাঁদের সমস্যার সমাধান করা হোক। একটি সুস্থ শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা হোক। সংগঠনের সম্পাদক কৌশিক ভট্টাচার্য বলেন, “এটা আমাদের সংগঠনের সম্মিলিত একটি সিদ্ধান্ত। আমরাবিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছি, বায়োমেট্রিক ব্যবস্থায় হাজিরা পদ্ধতি এ ভাবে যাতে চাপিয়ে না দেওয়া হয়। আশা করা যায় কর্তৃপক্ষ ভাবনাচিন্তা করবেন এবং উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবেন।”

বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক অতিগ ঘোষ বলেন, “আমি মেলটা দেখছি। যে বিষয়ে ভিবিইউএফএ তাদের মত প্রকাশ করেছে, তা কর্তৃপক্ষ নিশ্চয়ই বিবেচনা করে দেখবেন।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন