এজিএসের হাতে কামড়, অভিযুক্ত কলেজের জিএস

ছাত্র সংসদের বরাদ্দ অর্থের হিসেব চাইতে গিয়ে তর্ক-বিতর্ক চলাকালীন ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে কামড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। কামড় বসেছে ছাত্র সংসদের সহকারী সাধারণ সম্পাদক ও সংসদের আর এক সদস্যের হাতে। ঘটনাস্থল ঝালদা অচ্ছ্রুরাম স্মৃতি কলেজ।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২২ নভেম্বর ২০১৫ ০০:৪৭
Share:

ছাত্র সংসদের বরাদ্দ অর্থের হিসেব চাইতে গিয়ে তর্ক-বিতর্ক চলাকালীন ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে কামড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। কামড় বসেছে ছাত্র সংসদের সহকারী সাধারণ সম্পাদক ও সংসদের আর এক সদস্যের হাতে। ঘটনাস্থল ঝালদা অচ্ছ্রুরাম স্মৃতি কলেজ।

Advertisement

ওই কলেজের সংসদের ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তর্ক-বিতর্কের কথা স্বীকার করেছেন। কিন্তু তিনি টিএমসিপি-র এজিএস ও এক সদস্যের হাত কামড়ে দেওয়ার কথা মানতে চাননি।

ঘটনার সূত্রপাত শনিবার বেলা ১২টা নাগাদ। এই কলেজের ছাত্র সংসদে যৌথ ভাবে ক্ষমতায় রয়েছে ছাত্র পরিষদ ও টিএমসিপি। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ছাত্র পরিষদের এবং সহকারী সাধারণ সম্পাদকের (এজিএস) পদ টিএমসিপি-র দখলে রয়েছে। এজিএস আশুতোষ মাহাতোর অভিযোগ, আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা রয়েছে। সেই প্রতিযোগিতা কী ভাবে হবে তা নিয়ে আলোচনা করার জন্য এ দিন তাঁরা কয়েকজন জিএস বিশ্বরূপ কুমারের কাছে গিয়েছিলেন। ক্রীড়া খাতে যে টাকা বরাদ্দ রয়েছে, সেই টাকার ব্যাপারে তাঁরা জিএসের কাছে জানতে চান। আশুতোষের অভিযোগ, ‘‘জিএস আমাদের কথার কোনও জবাব দিতে চাননি। জবাব চাওয়ার জন্য চাপ দিলে তিনি উল্টোপাল্টা কথা বলেন। তর্ক-বিতর্ক চলার মধ্যেই আচমকা জিএস আমার বাঁ হাতের বুড়ো আঙুলের গোড়ায় হাতের তালুতে কামড় বসিয়ে দেয়।’’ বড় মাটির টুকরো দিয়ে তাঁর মাথায় মারা হয় বলেও অভিযোগ। তাঁর আরও অভিযোগ, ছাড়াতে গেলে জিএস ছাত্র সংসদের আর এক সদস্য টিএমসিপি-র অমূল্য কুমারকেও কামড়ে দেন। অমূল্যের দাবি, বিশ্বরূপ তাঁর বাঁ হাতের কব্জির কাছে কামড়ে দেয়। ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বরূপ কুমারের পাল্টা জাবি, ‘‘চক্রান্ত করে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে। তর্ক-বিতর্ক হয়েছে ঠিকই। তবে আমি কাউকেই কামড়াইনি।’’

Advertisement

পরে তাঁরা ঘটনাটি কলেজ কর্তৃপক্ষের নজরে আনেন। খবর পেয়ে পুলিশও কলেজে যায়। তবে ঘটনা এর বেশি আর গড়ায়নি। কলেজের ভারপ্রাপ্ত টিচার ইনচার্জ রাজীব মিস্ত্রি বলেন, ‘‘ছাত্র সংসদের সদস্যদের নিজেদের মধ্যে কোনও ঝামেলা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশও এসেছিল। তবে কেউ আমার কাছে এ নিয়ে কোনও অভিযোগ করেননি।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement