খেলার টুকরো খবর

সিউড়ি সদর মহকুমার ১২টি চক্রের প্রাথমিক ও নিম্নবুনিয়াদী স্কুল ও শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা হয়ে গেল রবিবার। দুবরাজপুর সারদা ফুটবল ময়দানে আয়োজিত ওই ক্রীড়ার আসরে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (প্রাথমিক) আলোক মহাপাত্র, দুবরাজপুরের বিডিও কুণাল বন্দ্যোপাধ্যায়, পুরপ্রধান পীযূষ পাণ্ডে, দুবরাজপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তনুশ্রী ঘোষ প্রমুখ।

Advertisement
শেষ আপডেট: ০১ ডিসেম্বর ২০১৪ ০২:০৯
Share:

দুবরাজপুরে বার্ষিক ক্রীড়া

Advertisement

দুবরাজপুরে রবিবার ছবিটি তুলেছেন দয়াল সেনগুপ্ত।

সিউড়ি সদর মহকুমার ১২টি চক্রের প্রাথমিক ও নিম্নবুনিয়াদী স্কুল ও শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা হয়ে গেল রবিবার। দুবরাজপুর সারদা ফুটবল ময়দানে আয়োজিত ওই ক্রীড়ার আসরে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (প্রাথমিক) আলোক মহাপাত্র, দুবরাজপুরের বিডিও কুণাল বন্দ্যোপাধ্যায়, পুরপ্রধান পীযূষ পাণ্ডে, দুবরাজপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তনুশ্রী ঘোষ প্রমুখ। সদর মহকুমা বার্ষিক ক্রীড়া কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক বিপ্লব রায়, ইমামুল হক জানিয়েছেন, প্রথমে পঞ্চায়েত বা পুর-এলাকায় হওয়া বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং তারপর চক্রভিত্তিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আসর থেকে বিভিন্ন ইভেন্টে প্রথম স্থানাধিকারী ছাত্রছাত্রীরাই এ দিন মহকুমা স্তরের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় যোগ দিয়েছিল। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ছাত্রছাত্রীদের জন্য ১২টি ও নিয়মিত ছাত্রছাত্রীদের জন্য ২৮টি ইভেন্টে যোগ দিয়েছে ৩৮৬ জন পড়ুয়া। শনিবার বাছাই পর্ব এবং রবিবার ফাইনাল খেলার জন্য আগত সদর মহকুমার অন্তর্গত বিভিন্ন স্কুলের প্রতিযোগীদের থাকার ব্যবস্থা হয়েছিল দুবরাজপুর শ্রী শ্রী সারদা বিদ্যাপীঠে। এ দিনের প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীরা আগামী ৬-৭ ডিসেম্বর জেলা স্তরের প্রতিযোগিতায় যোগ দেবে। জেলা স্তরের ওই প্রতিযোগিতাটি হবে আমোদপুর চক্রের অন্তর্গত জয়দুর্গা উচ্চ বিদ্যালয়ে।

Advertisement

জঙ্গলমহল কাপ

Advertisement

পুলিশের উদ্যোগে এক দিনের ‘জঙ্গলমহল কাপ’ ফুটবল টুর্নামেন্ট হয়ে গেল মহম্মদবাজারের কাঁইজুলি হাইস্কুল মাঠে। শনিবার খেলার উদ্বোধন করেন এসপি অলোক রাজোরিয়া। ছেলেদের ১৬টি দলের পাশাপাশি দু’টি মহিলা ফুটবল দলও যোগ দিয়েছিল। মহিলা দলের মধ্যে জেঠিয়া ১-০ গোলে হুচুকপাড়াকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। ম্যান অফ দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন স্বপ্না টুডু। অন্য দিকে, ছেলেদের মধ্যে ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল জেঠিয়া ও রামপুর। জেঠিয়া ১-০ জয়ী হয়। ম্যান অফ দ্য ম্যাচ ও ম্যান অফ দ্য সিরিজ নির্বাচিত হন জেঠিয়ার সুশীল হাঁসদা। দু’টি বিভাগের জয়ী ও রানার্স দলকে ট্রফি’র পাশাপাশি ফাইনালে ওঠা চারটি দলের খেলোয়াড়দের হাত ঘড়ি দেওয়া হয়। পাঁচামি এলাকার টুরকু হাঁসদা, হুচুক টুডু, চড়কা মুর্মু, লক্ষ্মী সোরেন, খুকুমনি হাঁসদা, সুকুমার সাহারা বলেন, “মাঝে মধ্যে এ রকম টুর্নামেন্ট হলে ভাল হয়।” মহম্মদবাজারের ওসি চয়ন ঘোষ জানান, এলাকার মানুষের সহযোগিতায় টুর্নামেন্ট সফল হয়েছে। গ্রামীণ পুলিশ ভাঁড়কাটা এলাকার রামপুরের বাসিন্দা শ্যামল হাঁসদার চেষ্টাতেই এতগুলি আদিবাসী দল খেলায় যোগ দিয়েছিল। খেলাগুলি পরিচালনা করেন সন্দীপ ভট্টাচার্য, বনবিহারী দাস ও দীপ্তেন্দু ভট্টাচার্য।

চ্যাম্পিয়ন দুমদুমি

এক দিনের মহিলা ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হল বাঁকুড়ার দুমদুমি আদিবাসী তরুণী ব্রজয়নী সঙ্ঘ। রবিবার পলাশডিহা বরফকল আদিবাসী ইয়ং স্টার ক্লাব আয়োজিত এই প্রতিযোগিতাটি আয়োজিত হয় স্থানীয় পন্ডিত রঘুনাথ মুর্মু ময়দানে। টাইব্রেকারে ৫-৪ গোলে হুগলির পাণ্ডুয়া মহিলা ফুটবল কোচিং সেন্টারকে হারায় বাঁকুড়ার দলটি। নির্ধারিত সময়ে খেলা ছিল গোলশূন্য। মহিলা ফুটবলারদের খেলা দেখতে মাঠে ভিড় হয়েছিল ভালই। উদ্যোক্তারা জানান, আটদলীয় এই প্রতিযোগিতাটি শুরু হয় রবিবার সকালে। বর্ধমান-সহ বিভিন্ন জেলার মহিলা ফুটবল দল প্রতিযোগিতায় যোগ দিয়েছিল। সেমিফাইনালে দুমদুমি আদিবাসী তরুণী ব্রজয়নী সঙ্ঘ হারায় আসানসোলের চিত্তরঞ্জনের একটি দলকে। অন্য দিকে পাণ্ডুয়া মহিলা ফুটবল কোচিং সেন্টার হারায় পুরুলিয়ার একটি দলকে। প্রতিযোগিতার সেরা হয়েছেন বাঁকুড়ার দলটির তানিয়া মোদী। তিনি সেমিফাইনালে চিত্তরঞ্জনের বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করেন। ওই দলেরই সোনামুনি সরেন প্রতিযোগিতার সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন। এ দিন অনেক মহিলা ফুটবলারকে খালি পায়েও খেলতে দেখা যায়। খেলাগুলি পরিচালনা করেন পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়, বিমান দাস, মুক্তারাম মন্ডল, রবীন্দ্রনাথ সোরেন। উদ্যোক্তাদের পক্ষে সঞ্জীব বেসরা জানান, এলাকার মহিলাদের ফুটবলের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্যই এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল।

স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া

সোনামুখীর পাঁচালে।

বিষ্ণুপুর মহকুমার অন্তর্গত প্রাথমিক, নিম্ন বুনিয়াদী বিদ্যালয়, শিশু শিক্ষাকেন্দ্র, মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রী ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের নিয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা হয়ে গেল রবিবার। এ দিন সকাল ৯টায় সোনামুখী ব্লকের পাঁচাল নিম্ন বুনিয়াদী বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন রাজ্যের বস্ত্রমন্ত্রী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঁকুড়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি রিঙ্কু বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ক্রীড়া উদ্যাপন কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক অনুপম আচার্য, মথুরাপ্রসাদ অধিকারী জানান, বিষ্ণুপুর মহকুমার ছ’টি ব্লকের বিভিন্ন স্কুল থেকে ৪৯৪ জন ছাত্রছাত্রী যোগ দেয় এই প্রতিযোগিতায়। নিজস্ব চিত্র

পুঞ্চায় পড়ুয়াদের খেলা

মানবাজার জোনের প্রাথমিক পড়ুয়াদের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা হয়ে গেল রবিবার। প্রাথমিক, নিম্ন বুনিয়াদি, মাদ্রাসা ও শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের পড়ুয়ারা এ দিন পুঞ্চার লৌলাড়া রাধাচরণ অ্যাকাডেমির মাঠে প্রতিযোগিতায় যোগ দেয়। মোট প্রতিযোগির সংখ্যা ছিল ২২৭ জন। বালক ও বালিকাদের জন্য ১৪টি করে ইভেন্ট ছিল। মানবাজার ১ ও ২, বান্দোয়ান ও পুঞ্চা চারটি ব্লক এলাকার ৯টি সার্কেলের প্রতিযোগীরা যোগ দিয়েছিল। পুঞ্চার অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক তথা কমিটির আহ্বায়ক গৌতম মণ্ডল জানান, জেলাস্তরের প্রতিযোগিতার দিন এখনও স্থির হয়নি। প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানে মানবাজারের বিধায়ক সন্ধ্যারানি টুডু, জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (প্রাথমিক) বৃন্দাবন চন্দ্র দাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সেরা রয়্যাল বেঙ্গল

‘জঙ্গলমহল ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০১৪’ র রাইপুর থানা জোনের পুরুষ ও মহিলা বিভাগের খেলা শেষ হল শনিবার। পুরুষ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মণ্ডলকুলির মাড়োশোল আদিবাসী ক্লাব। মহিলা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সোনাগাড়ার রয়্যাল বেঙ্গল স্পোর্টিং ক্লাব। শনিবার মটগোদা ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে মাড়োশোল ৩-০ গোলে যাদবনগর ক্লাবকে হারিয়েছে। অন্য দিকে, ওই দিনই ফাইনালে সোনাগাড়া টাইব্রেকারে ৩-১ গোলে জানডাঙা এল অ্যান্ড ডি ফুটবল ক্লাবকে হারিয়েছে। এই প্রতিযোগিতায় পুরুষ ও মহিলা বিভাগে ৪২টি করে মোট ৮৪টি দল যোগ দিয়েছিল। ফাইনাল খেলা দেখতে মাঠে হাজির ছিলেন রাইপুরের বিডিও দীপঙ্কর দাস সহ অনেকে।

জিতল সারেঙ্গা

বিষ্ণুপুর স্টেডিয়ামে ফুটবল শিল্ড। নিজস্ব চিত্র

বিষ্ণুপুর মহকুমা ক্রীড়া সংস্থা আয়োজিত ফুটবল শিল্ডের চতুর্থ রাউন্ডের খেলা হয়ে গেল রবিবার বিষ্ণুপুর স্টেডিয়ামে। সারেঙ্গা একাদশ ১-০ গোলে কলকাতার এফসিআই রিক্রিয়েশন ক্লাবকে হারায়। ম্যাচের শেষার্ধে সঞ্জীব কিস্কু জয়সূচক গোলটি করেন। আগামী শনিবার সেমিফাইনালের খেলা হবে বিষ্ণুপুর শ্যামসুন্দরপুর ও সারেঙ্গা একাদশের মধ্যে। সংস্থার সম্পাদক বরুণ দে জানান, ৮টি দল যোগ দিয়েছে এ বারের প্রতিযোগিতায়।

মালিয়াড়ায় ফুটবল

মালিয়াড়ার দেবজিৎ সুভাষ কল্যাণ সঙ্ঘের উদ্যোগে একটি নক-আউট ফুটবল প্রতিযোগিতা হয়ে গেল সম্প্রতি। প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হল মালিয়াড়ার নীলবাড়ি ফুটবল মাঠে। ফাইনালে দুর্গাপুর ফুটবল দল টাইব্রেকারে ৫-৩ গোলে হারিয়ে দেয় কলকাতা ফুটবল দলকে। উদ্যোক্তা ক্লাবের তরফে অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও অরুণ ঘোষাল জানান, মোট ১৬টি দল এই প্রতিযোগিতায় যোগ দিয়েছিল।

পুরুলিয়ায় প্রতিযোগিতা

পুরুলিয়া মানভূম ক্রীড়া সংস্থার মাঠে সম্প্রতি পুরুলিয়া সদর ২ চক্রের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা হয়ে গেল। এই প্রতিযোগিতায় চক্রের ৮৮টি বিদ্যালয়ের ১৫১ জন প্রতিযোগী ২৮টি ইভেন্টে যোগ দেয়। উদ্যোক্তাদের পক্ষে ভোলানাথ তিওয়ারি জানান, মোট তিনটি করে বিভাগে দৌড়, হাইজাম্প, লংজাম্প, জিমন্যাস্টিক ইত্যাদি ইভেন্টে প্রতিযোগিরা যোগ দিয়েছিল।

সিমলাপালের লক্ষ্মীসাগর হাইস্কুলে রবিবার খাতড়া চক্রের প্রাথমিক স্কুল
পড়ুয়াদের নিয়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা হয়ে গেল। নিজস্ব চিত্র।

রবিবার বোলপুরের পারুলডাঙায় হওয়া নকআউট টুর্নামেন্টের ফাইনালে ৩-০ গোলে
জয়ী হয়েছে বোলপুর একাদশ। তারা প্রতিযোগিতার উদ্যোক্তা পারুলডাঙা পল্লি উন্নয়ন
সমিতিকে পরাজিত করেছে। এতে ১৬টি দল যোগ দিয়েছিল। বিশ্বজিৎ রায়চৌধুরী

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement