চাল সরানোর নালিশ, ঘেরাও

মিড-ডে মিলের চাল বিদ্যালয় থেকে সরানোর অভিযোগে প্রধান শিক্ষককে ঘেরাও করলেন অভিভাবকরা। শুক্রবার দুপুর একটা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে বোলপুর পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের অর্জুনলাল নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়ে। খবর পেয়ে, বিদ্যালয়ে হাজির হন বোলপুরের বিডিও শমীক পাণিগ্রাহী। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যাবস্থা নেওয়ার আশ্বাসে, এক ঘণ্টা পরে ঘেরাও ওঠে। যদিও, অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষক।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ ডিসেম্বর ২০১৫ ০১:০৮
Share:

মিড-ডে মিলের চাল বিদ্যালয় থেকে সরানোর অভিযোগে প্রধান শিক্ষককে ঘেরাও করলেন অভিভাবকরা। শুক্রবার দুপুর একটা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে বোলপুর পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের অর্জুনলাল নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়ে। খবর পেয়ে, বিদ্যালয়ে হাজির হন বোলপুরের বিডিও শমীক পাণিগ্রাহী। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যাবস্থা নেওয়ার আশ্বাসে, এক ঘণ্টা পরে ঘেরাও ওঠে। যদিও, অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষক।

Advertisement

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বিদ্যালয়ে মোট ১৪৭ জন পড়ুয়া রয়েছে। মিড-ডে মিলের জন্য বিদ্যালয়ে প্রতিদিন ১২ কেজি চাল কেনা হয়। অভিভাবকদের একাংশের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক পড়ুয়াদের মিড-ডে মিলের চাল বিদ্যালয় থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। তাঁদের দাবি, বিষয়টি জানাজানি হতেই তিনি এ দিন ওই চাল বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে এনেছিলেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শীলা সরকার দাস জানান, শুক্রবার দুপুরে একটি ভ্যানে করে ওই চাল বিদ্যালয়ে আনা হয়েছিল। সেই সময় বিদ্যালয়ে চাল ঢোকানোয় বাধা দেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনার কথা জানতে পেরে অভিভাবকরা বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন। মিড ডে মিলের চাল বিদ্যালয়ের বাইরে নিয়ে যাওয়ার কারণ জানতে চেয়ে তাঁরা ঘেরাও করেন প্রধান শিক্ষক মানব দেকে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন বোলপুর পুরসভার ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা উপ-পুরপ্রধান তৃণমূলের নরেশচন্দ্র বাউড়ি। তিনি জানান, বিষয়টি বিডিও-কে জানানো হয়েছে।

Advertisement

বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিল রান্নার কাজ করেন টুকু মাঝি এবং কাবেরী বিশ্বাস। তাঁদের দাবি, চালে পোকা থাকায় প্রধান শিক্ষক তাঁদের তা পরিষ্কার করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু ৫ বস্তা চাল রোদে মেলে পোকা তাড়ানোর মত জায়গা বিদ্যালয়ের না থাকায় গত ১ ডিসেম্বর তাঁরা প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিয়ে বস্তাগুলি বাড়িতে নিয়ে যান। সেই মতো চালের পোকা বেছে এ দিন বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে এনেছিলেন তাঁরা। ওই দুই কর্মীর দাবি, চাল নিয়ে যাওয়া এবং নিয়ে আসার জন্য প্রধান শিক্ষক নিজেই গাড়ি ভাড়ার টাকা দিয়েছিলেন। তাঁদের দাবি, বিষয়টি নিয়ে অহেতুক জল ঘোলা করা হচ্ছে। ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মানব দে রন্ধনকর্মীদের বক্তব্যকেই সমর্থন করেন। তাঁর দাবি, তিনি চক্রান্তের শিকার। এ দিনের ঘটনার কথা বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিডিওকে জানানো হয়েছে বলে মানববাবু জানিয়েছেন। বোলপুরের বিডিও শমীক পাণিগ্রাহী বলেন, “সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দফতরে ডাকা হয়েছে। প্রয়োজনে আইনানুগ ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement