টুকরো খবর

বছরে ১০০ দিন কাজের প্রকল্পে প্রায় তিন মাস আগে কাজ করানোর পরেও প্রাপ্য মজুরি না দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল পরিচালিত খাতড়া ২ পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে। খাতড়া ব্লকের তিলাবনি গ্রামের বাসিন্দা, ওই প্রকল্পে কাজ করা পাঁচ জন শ্রমিক সম্প্রতি বিডিও এবং মহকুমাশাসকের কাছে এই মর্মে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

Advertisement
শেষ আপডেট: ০৬ জুন ২০১৪ ০০:৪৯
Share:

প্রাপ্য মজুরি না দেওয়ার অভিযোগ

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা • খাতড়া

বছরে ১০০ দিন কাজের প্রকল্পে প্রায় তিন মাস আগে কাজ করানোর পরেও প্রাপ্য মজুরি না দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল পরিচালিত খাতড়া ২ পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে। খাতড়া ব্লকের তিলাবনি গ্রামের বাসিন্দা, ওই প্রকল্পে কাজ করা পাঁচ জন শ্রমিক সম্প্রতি বিডিও এবং মহকুমাশাসকের কাছে এই মর্মে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ অস্বীকার করে ওই পঞ্চায়েতের প্রধান এই ঘটনার জন্য শ্রমিকদেরই দুষেছেন। তিলাবনির বাসিন্দা সুধাকর মাঝি, সদানন্দ মাঝি, সত্যনারায়ণ মাঝি, মধুসূদন মাঝি ও সুভাষ মাঝি জানিয়েছেন, গত মার্চ মাসে ১০০ দিন কাজের প্রকল্পে রাস্তায় মোরাম ছড়ানো ও ঝোপঝাড় সাফাইয়ের কাজ করেছিলাম। মোট চার দিন কাজ করানো হয়েছিল। তাঁদের অভিযোগ, “মজুরি হিসাবে আমাদের জবকার্ড অ্যাকাউন্টে টাকা দেওয়া হয়নি। তার পরিবর্তে আমাদের দৈনিক ১০০ টাকা নগদে দেওয়া হচ্ছিল। মজুরি কম দেওয়ায় আমরা সেই টাকা নিতে অস্বীকার করেছি। তার পর আর আমাদের প্রাপ্য মজুরির টাকা দেওয়া হয়নি। উল্টে পঞ্চায়েত প্রধান জানিয়ে দিয়েছেন, ওই টাকা না নিলে কোন টাকাই আর দেওয়া হবে না।” খাতড়ার বাসিন্দা, বিজেপি-র জেলা সম্পাদক অভিজিৎ দাসের অভিযোগ, শ্রমিকদের প্রাপ্য মজুরি না দিয়ে চরম অন্যায় করেছে তৃণমূল পরিচালিত খাতড়া-২ পঞ্চায়েত। এটা নিয়ে শীঘ্রই তাঁরা আন্দোলনে নামবেন। শ্রমিকদের অভিযোগ অবশ্য মানতে চাননি খাতড়া ২ পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান প্রদীপ মাহাতো। তাঁর দাবি, ওই প্রকল্পে যত জন শ্রমিকের কাজ করার কথা ছিল, বাস্তবে তার চেয়ে বেশি জন কাজ করেছেন। সব শ্রমিকই প্রাপ্য মজুরি পেয়েছেন। কিন্তু, ওই পাঁচ জনের নাম মাস্টাররোলে না থাকায় মজুরি দিতে সমস্যা হয়েছিল। ওই শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা মিটিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে প্রধান জানান। খাতড়ার ভারপ্রাপ্ত বিডিও দীপক মাইতিও বলেন, “মজুরি নিয়ে যে সমস্যা ছিল, তা ওই পঞ্চায়েতের তরফে মিটিয়ে দেওয়া হচ্ছে।”

Advertisement

দু’বছর ধরে নিখোঁজ একমাত্র ছেলে, ডাকযোগে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি বাবার

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা • ময়ূরেশ্বর

বছর দু’য়েক আগে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া এক মাত্র ছেলের পথ চেয়ে চেয়ে মৃত্যু হয়েছে মায়ের। নিজের ছেলের হাতে মুখাগ্নি হইনি তাঁর। পুলিশ-প্রশাসনের দরজায় দরজায় ঘুরেও সন্ধান মেলেনি ছেলের। শক্তিহীন বাবা তাই ছেলের খোঁজের দাবিতে চিঠি পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রীকে। ঘটনাস্থল বীরভূমের ময়ূরেশ্বর থানা এলাকার বেলেড়া গ্রাম। পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১২ সালের ২১ জুলাই বেলেড়া গ্রাম থেকে নিখোঁজ হন রাধানাথ মণ্ডল নামে বছর ১৯-এর এক যুবক। তার পর থেকে বিভিন্ন জায়গা খোঁজাখুঁজি চলছে পরিবারের তরফে। প্রশাসন থেকে শুরু করে বহু লোকের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরেছেন পরিবারের লোকজন। কিন্তু সন্ধান মেলেনি মানসিক ভারসাম্যহীন ওই যুবকের। শেষে ময়ূরেশ্বর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন তাঁর খুড়তুতো দাদা বিকাশ মণ্ডল। কিন্তু তাঁর খোঁজ মেলেনি। এ দিকে ছেলের দুঃশ্চিন্তায় শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন মা আরতিদেবী। গত ১১ এপ্রিল তাঁর মৃত্যু হয়। বাবা দুলালবাবু ঠিকমতো করে চলাফেরা করতে পারেন না। ছেলের চিন্তায় দিনের পর আরও শরীর আরও ভেঙে পড়ে মায়ের। বারবার বলতেন, ছেলের হাতে মুখে আগুনটুকু আর জুটবে না। সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। এ দিকে পুলিশ-প্রশাসনের দরজায় দরজায় নিখোঁজের সন্ধান না পেয়ে সম্প্রতি ডাক যোগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি পাঠিয়েছেন দুলালবাবু। ভাইপো বিকাশচন্দ্র মণ্ডল বলেন, “পুলিশ প্রশাসনের দরজায় দরজায় বহু ঘুরেছি। কাজের কাজ কিছুই হয়নি। অন্য উপায় না পেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছি। দেখি কী হয়!” যোগাযোগ— ৮০০১৯৭৮৭১৯।

ধৃতদের জেলহাজত

নিজস্ব সংবাদদাতা • রামপুরহাট

একটি বেসরকারি অর্থলগ্নি সংস্থার কর্মীকে অপহরণ ও খুনের অভিযোগে রামপুরহাট শহরের হাসপাতালপাড়া সংলগ্ন একটি নার্সিংহোমের মালিক মহম্মদ নৈমুদ্দিন এবং তাঁর ভাই রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতদের বৃহস্পতিবার রামপুরহাট আদালতে হাজির করানো হলে বিচারক তাঁদের ১৪ দিনের জেল হাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে বছর পঞ্চাশের কৃষ্ণচন্দ্র ধর নামে নিহত ওই প্রৌঢ়ের পরিবারের তরফ থেকে এখনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, হুগলির কোন্নগরের নৈটি রোডের বাসিন্দা এক অর্থলগ্নি সংস্থার কর্মী কৃষ্ণচন্দ্র ধরের কাছ থেকে টাকা পেতেন আমোদপুরের এক হাতুড়ে চিকিৎসক তাপস মণ্ডল। তাঁরই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা শুরু করেছে। ওই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত মহম্মদবাজার অঞ্চলের ভাড়কাঠা এলাকার তিন জনের খোঁজে তল্লাশি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। রামপুরহাটের ওই নার্সিংহোম মালিক ওই প্রৌঢ়কে টাকা বকেয়া থাকায় গত ২৬ মে থেকে আটকে রাখেছিলেন তাঁরই নার্সিংহোমে। সেই নার্সিংহোমেরই তিন তলার ছাদ থেকে বুধবার ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করলেন বেসরকারি অর্থলগ্নি সংস্থার ওই কর্মী। প্রাথমিক ভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, কলকাতার কেশবচন্দ্র স্ট্রিট এলাকায় বেসরকারি অর্থলগ্নি সংস্থার কর্মী কৃষ্ণচন্দ্রবাবু বীরভূমের রামপুরহাট, আমোদপুর এলাকার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা তুলতেন।

বিজেপি-র প্রতিবাদসভা

নিজস্ব সংবাদদাতা • বাঁকুড়া

রাজনৈতিক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বাঁকুড়ার মুনিয়াডিহিতে বৃহস্পতিবার প্রতিবাদ মিছিল ও পথসভা করল বিজেপি। উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য সহ-সভাপতি সুভাষ সরকার, জেলা সম্পাদক নীলাদ্রিশেখর দানা-সহ অনেকে। লোকসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকে একাধিকবার মুনিয়াডিহি গ্রামে বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি এ নিয়ে বাঁকুড়া থানায় স্মারকলিপিও দেয় বিজেপি। দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র অজয় ঘটক বলেন, “মুনিয়াডিহি গ্রামে আমাদের সংগঠন শক্তিশালী হচ্ছে। লোকসভা ভোটের ফলাফলে তার ছাপ পড়েছে। এই সব সহ্য করতে পারছে না তৃণমূল।” তাঁর অভিযোগ, ওই এলাকায় বিজেপি কর্মীদের উপরে হামলা চালানো হচ্ছে। তাঁদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। সন্ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করে রেখেছে শাসকদল। এই সবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এ দিন পথসভা ও মিছিলের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে বিজেপি নেতারা জানান। অভিযোগ উড়িয়ে বাঁকুড়া ১ ব্লকের তৃণমূল সভাপতি ধবল মণ্ডল। তিনি বলেন, “বিজেপি কর্মীরা এলাকার মেয়েদের ভয় দেখাচ্ছে, আমাদের কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর করছে।” তাঁর আরও দাবি, উন্নয়নের কাজ থমকে দেওয়ার জন্যই বিজেপি এই সব করছে।

রেল সুরক্ষা

নিজস্ব সংবাদদাতা • আদ্রা

রেল-সুরক্ষা সপ্তাহ (রেলওয়ে সেফটি উইক) উপলক্ষে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের আদ্রা ডিভিশন জুড়ে প্রহরী বিহীন রেলগেটে প্রচার শুরু করেছেন রেল কর্মীরা। ২ জুন থেকে আজ, শুক্রবার পর্যন্ত সুরক্ষা সপ্তাহ পালন করা হচ্ছে রেল বোর্ডের নির্দেশে। পথ নাটিকা র মাধ্যমে, পুস্তিকা বিলি করে এবং সর্বোপরি প্রহরী বিহীন রেলগেটে প্রচার করে যাত্রীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়নোর প্রয়াস নিয়েছেন আদ্রা ডিভিশনের রেল কর্তৃপক্ষ। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, রেলের সুরক্ষা (সেফটি) বিভাগ এবং রেলের সংস্থা ভারতীয় স্কাউট অ্যান্ড গাইড যৌথভাবে এই প্রচার করছে। আদ্রা স্টেশনে সুরক্ষা দফতরের জনা কুড়ি-বাইশ কর্মী পথনাটিকা পরিবেশন করেছেন। এ ছাড়াও সাত দিন ধরে আদ্রা ডিভিশনের বার্নপুর, বোকারো, ভোজুডি, ঝাঁটিপাহাড়ির মতো স্টেশনগুলিতে প্রচার চালানো হবে বলে জানিয়েছেন রেল কর্তৃপক্ষ।

কলেজে চুরি

নিজস্ব সংবাদদাতা • নলহাটি

নৈশপ্রহরী থাকা সত্ত্বেও কলেজের ভিতর ঢুকে অফিস ঘর যাওয়ার প্রধান গেট ও ১৪টি আলমারির তালা ভেঙে কেবলমাত্র ৪ হাজার ৩৬০ টাকা নিয়ে পালাল দুষ্কৃতীরা। নলহাটি হীরালাল ভকত কলেজের বুধবার গভীর রাতের ঘটনা। কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল হুদা বলেন, “বৃহস্পতিবার খবর পেয়ে কলেজে গিয়ে দেখি আমার অফিস ঘর-সহ ১৪টি আলমারির তালা ভাঙা অবস্থায় আছে। সব ঠিকঠাক আছে। কেবলমাত্র ক্যাশিয়ারের রুম থেকে ওই পরিমাণ টাকা নেই।” পুলিশ তদন্ত করছে।

কিশোরের অপমৃত্যু

নিজস্ব সংবাদদাতা • রামপুরহাট

বাড়ি ফেরার পথে বাজ পড়ে মৃত্যু হল এক কিশোরের। বৃহস্পতিবার বিকেলে রামপুরহাট থানার বেলা গ্রামের মাঠে খেলতে গিয়েছিল সদ্য মাধ্যমিক উত্তীর্ণ সুজয় দাস (১৫)। বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

দুই জেলায় দুর্ঘটনায় মৃত ২

মোটরবাইকের সঙ্গে লরির মুখোমুখি ধাক্কায় মৃত্যু হল এক যুবকের। জখম দু’জন। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাঁকুড়া-দুর্গাপুর ৯ নম্বর রাজ্য সড়কে, বাঁকুড়া সদর থানার মাকুড়গ্রামের ঘটনা। পুলিশ জানিয়েছে মৃত রাজু আঠা (২১) কাটজুড়িডাঙার বাসিন্দা। ওই তিন জন বাইকে দুর্গাপুর থেকে বাঁকুড়ার দিকে যাচ্ছিলেন। মাকুড়গ্রাম মোড়ের কাছে রাস্তার বাঁকে লরির সঙ্গে ধাক্কা লাগলে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় রাজুর। স্থানীয় বাসিন্দারা লরিটি আটকালে চম্পট দেয় চালক। পুলিশ এসে আহত দু’জনকে বাঁকুড়া মেডিক্যালে নিয়ে যায়। পরে তাঁদের বর্ধমান মেডিক্যালে পাঠানো হয়। ওই দু’জন নতুনচটির বাসিন্দার। স্থানীয় বাসিন্দা অমৃত পাল, সিদ্ধার্থ সিংহরা বলেন, “রামাকুরগ্রাম মোড়ের কাছে অতিরিক্ত বাঁকের ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। এ নিয়ে প্রশাসনের ভাবা উচিত।” অন্য দিকে, বুধবার মাঝরাতে পুরুলিয়ার কোটশিলা থানা এলাকার কোটশিলা-টাটুয়াড়া গ্রামের রাস্তায় বিয়ে বাড়িতে যোগ দিয়ে ফেরার পথে ট্রেকার উল্টে মৃত্যু হয় মনোহর মাহাতো(৩৭) নামে এক যুবকের। তিনি ঝাড়খণ্ডের বোকারো জেলার পিঞ্জরাজোড়া থানার লেদা গ্রামের বাসিন্দা। এই গ্রাম থেকে একটি ট্রেকারে জনা কুড়ি বরযাত্রী কোটশিলার আমড়া গ্রামে বিয়ের অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। ফেরার পথে ট্রেকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি কালভার্টে ধাক্কা মেরে উল্টে যায়।

১০০ দিন নিয়ে ট্যাবলো

১০০ দিনের প্রকল্পের কাজে গতি বাড়াতে তিনটি মহকুমায় একটি করে ট্যাবলো চালু করল বাঁকুড়া জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার বাঁকুড়া ১ ব্লক অফিসে বাঁকুড়া সদর মহকুমার জন্য ট্যাবলোটি উদ্বোধন করেন জেলাশাসক বিজয় ভারতী। উপস্থিত ছিলেন এমজিএনআরইজিএসের জেলা প্রকল্প আধিকারিক বাসবুলাল মাহাতো-সহ অনেকে। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, মানুষকে ১০০ দিনের কাজের বিষয়ে সচেতন করবে এই ট্যাবলো। এ ছাড়াও জবকার্ডধারী পরিবারের লোকজন কাজের জন্য সরাসরি এই ট্যাবলোতে আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে ট্যাবলো থেকেই পাওয়া যাবে আবেদনপত্র। আগামী ১৯ জুন পর্যন্ত জেলার তিনটি মহকুমার (বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর, খাতড়া) গ্রামাঞ্চলে এই ট্যাবলো ঘুরবে। জেলাশাসক বলেন, “১০০ দিনের কাজে মানুষের আগ্রহ বাড়াতেই এই উদ্যোগ। এর ফলে কর্মদিবসও বাড়বে।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement