সহায়ক মূল্যে ধান কেনার দাবিতে রামপুরহাটে কংগ্রেসের বিক্ষোভ। —নিজস্ব চিত্র।
ধানের দাম না পেয়ে রামপুরহাট ২ ব্লকের কিষান মান্ডি চত্বরে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হলেন এলাকার কংগ্রেস কর্মীরা। কংগ্রেস কর্মীরা পরে রামপুরহাট ২ ব্লকের ব্লক কৃষি উন্নয়ন আধিকারিকের কাছে সরকার নির্ধারিত সহায়ক মূল্যে চাষিদের কাছ থেকে ধান কেনার দাবি-সহ সারের দাম কমানোর দাবিতে স্মারকলিপি জমা দেন। রামপুরহাট থানার বেনেগ্রামের অধীন রামপুরহাট ২ ব্লকের কিষান মান্ডিতে এ দিন কংগ্রেসের আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন বীরভূম জেলা আইএনটিইউসি-র সভাপতি মিল্টন রসিদ। এ দিনের আন্দোলনে যোগদানকারী রামপুরহাট ২ ব্লক কংগ্রেস সভাপতি অপূর্ব চৌধুরী, মাড়গ্রাম থানার কার্তিকচুংড়ি গ্রামের বাসিন্দা সাজাহান আলি, কানাইপুর গ্রামের চাষি এনামুল হক প্রমুখরা জানান, বর্তমানে ১ বিঘে জমিতে ধান উৎপন্ন করতে খরচ হয় ছয় থেকে সাত হাজার টাকা। ধান উৎপন্ন হচ্ছে বিঘে প্রতি ৬ থেকে ৭ কুইন্টাল। ধানের দাম গ্রামে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা খোলা বাজারে। তাঁরা জানান, অথচ সরকার নির্ধারিত ধানের দাম ১৪১০ টাকা প্রতি কুইন্টাল। গ্রামে সরকার নির্ধারিত দামে ধান আড়তদার বা ফড়ে বা দালালরা কিনছেন না। আবার কিষান মান্ডিতেও ধান বিক্রি করতে গেলেও কেনা হচ্ছে না। গ্রাম ছাড়িয়ে খরচা করে গাড়িতে করে ধান নিয়ে চাষিদের ঘুরে যেতে হচ্ছে।
রামপুরহাট ২ ব্লকের কৃষি উন্নয়ন আধিকারিক দেবাশিস চক্রবর্তী জানান, কিষান মান্ডিতে ধান কেনার জন্য এখনও পর্যন্ত দফতর থেকে নির্দেশ আসেনি। এ ছাড়া ধান কেনার জন্য অন্য দফতরের একজন ‘পারচেজ অফিসার’ নিয়োগ করা হয়। এখনও তা নিয়োগ করা হয়নি।
জগদ্ধাত্রী পুজো। রামপুরহাট রেল পাড় রেলওয়ে ইউথ ইউনিটের জগদ্ধাত্রী পুজো এ বারও আকর্ষণের কেন্দ্রে। পুজো উপলক্ষে প্রায় প্রতি বছর বিভিন্ন থিমে রেলপাড় চিলড্রেন্স পার্কে বিশাল আকারে মণ্ডপ করা হয়। এ বারে নেপালের পশুপতি নাথের মন্দিরের থিমে মণ্ডপ হয়েছে।