নানুরে হামলায় ধৃত দুই তৃণমূল কর্মী

দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালানোর অভিযোগে দুই তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটে নানুর ব্লক তৃণমূল কার্যালয়ে। ধৃতদের নাম নুরুল ইসলাম ওরফে শেখ ইসলাম এবং শেখ আবুল রহিম। বাড়ি নানুরের পিলখণ্ডী গ্রামে। ধৃতদের বুধবার বোলপুর আদালতে তোলা হয়। সরকারি আইনজীবী ফিরোজকুমার পাল বলেন, “ধৃতদের ১৪ দিন জেল হাজতের নির্দেশ দিয়েছেন এসিজেএম সঙ্ঘমিত্রা পোদ্দার। তাদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা, ভাঙচুর, আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ রয়েছে।”

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ জুলাই ২০১৪ ০০:৩৮
Share:

দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালানোর অভিযোগে দুই তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটে নানুর ব্লক তৃণমূল কার্যালয়ে। ধৃতদের নাম নুরুল ইসলাম ওরফে শেখ ইসলাম এবং শেখ আবুল রহিম। বাড়ি নানুরের পিলখণ্ডী গ্রামে। ধৃতদের বুধবার বোলপুর আদালতে তোলা হয়। সরকারি আইনজীবী ফিরোজকুমার পাল বলেন, “ধৃতদের ১৪ দিন জেল হাজতের নির্দেশ দিয়েছেন এসিজেএম সঙ্ঘমিত্রা পোদ্দার। তাদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা, ভাঙচুর, আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ রয়েছে।”

Advertisement

দলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের অনুগামী বিধায়ক গদাধর হাজরা, ব্লক সভাপতি সুব্রত ভট্টাচার্য প্রমুখের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও স্বজন পোষণের অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার নানুর ব্লক কার্যালয়ে চড়াও হয় বিরোধী গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত দলের প্রাক্তন জেলা যুব সভাপতি কাজল শেখের অনুগামীরা। বিরোধী গোষ্ঠীর আরও অভিযোগ ছিল, নতুন গঠন করা জেলা কমিটিতে স্থান দেওয়া হয়নি একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে পরিচিত কাজল শেখকে। সেই ক্ষোভে তারা পার্টি অফিস ভাঙচুর চালায় এবং দলের জেলা কমিটি সদস্য তথা নানুর পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি মধুসূদন পাল সহ দু’জন কর্মীকে মারধর করে। আহত মধুসূদন বাবুকে বোলপুর মহকুমা হসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবারই নানুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মধুসূদন বাবু। রাতেই নুরুল ইসলাম ও শেখ আবুল রহিমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। নানুরের ব্লক সভাপতি সুব্রত ভট্টাচার্য বলেন, “অভিযুক্তেরা তৃণমূলের কর্মী-সমর্থক ঠিকই, তাদের অভিযোগ বা দাবি থাকতে পারে, তা নিয়ে আলোচনাও চলতে পারে। কিন্তু ভাঙচুর ও হামলার মতো ঘটনা কোনমতেই বরদাস্ত করা যাবে না। অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ আইন মোতাবেকই কাজ করবে।”

কাজল শেখ-এর অভিযোগ, “বিভিন্ন সময়ে আলোচনার দাবি জানিয়েও লাভ হয়নি, মুষ্টিমেয় ধান্দাবাজ কিছু নেতা তাদের ইচ্ছে মতো দল চালাচ্ছেন। আমি মঙ্গবারের ঘটনায় যুক্ত ছিলাম না। ক্ষুব্ধ কর্মী সমর্থকেরা তিতিবিরক্ত হয়ে ওই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে। তা সত্ত্বেও আমাকে মিথ্যা মামলায় জাড়ানো হয়েছে। সিপিএমও আমাকে ৩৮ টি মিথ্যা মামলায় জড়িয়েছিল। এখন দলও সেই পথে হাঁটছে, কিন্তু কর্মী সমর্থকদের জন্য আমি কোনও কিছুতেই পিছুপা নয়।” পুলিশ সূত্রে জানা গেছে ওই ঘটনায় কাজল শেখ সহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ইতিমধ্যে দু’জনকে ধরা হয়েছে, বাকিদেরও খোঁজ চলছে।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement