হয়নি কালভার্ট, দুর্ভোগ রসুনপুরে

বছর দুয়েক আগে সংস্কারের সময় রাস্তায় গর্ত খুঁড়ে কালভার্ট তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল প্রশাসন। কিন্তু, রাস্তা সংস্কারের কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গেলেও সেই কালভার্ট আর তৈরি হয়নি। কজওয়ের মতো নিচু রাস্তা করেই হাত গুটিয়ে নিয়েছে। একপশলা বৃষ্টি হলেই নিচু সেই রাস্তা দীর্ঘ ক্ষণ জলে তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকার বাসিন্দাদের। বিডিও-কে লিখিত ভাবে জানিয়ে কোনও কাজ হয়নি বলে তাঁদের অভিযোগ।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০৩:১২
Share:

পরিত্রাণ মিলবে কবে? শিবগ্রাম-ষাটপলশা সড়কে তোলা নিজস্ব চিত্র।

বছর দুয়েক আগে সংস্কারের সময় রাস্তায় গর্ত খুঁড়ে কালভার্ট তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল প্রশাসন। কিন্তু, রাস্তা সংস্কারের কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গেলেও সেই কালভার্ট আর তৈরি হয়নি। কজওয়ের মতো নিচু রাস্তা করেই হাত গুটিয়ে নিয়েছে। একপশলা বৃষ্টি হলেই নিচু সেই রাস্তা দীর্ঘ ক্ষণ জলে তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকার বাসিন্দাদের। বিডিও-কে লিখিত ভাবে জানিয়ে কোনও কাজ হয়নি বলে তাঁদের অভিযোগ।
প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রের খবর, বছর দুয়েক আগে জেলা পূর্ত (সড়ক) দফতরের পক্ষ থেকে ময়ূরেশ্বর থানা এলাকার শিবগ্রাম-ষাটপলশা সড়ক সংস্কার করা হয়। সেই সময় ওই সড়ক লাগোয়া রসুনপুর গ্রামের ষষ্ঠীতলার কাছে একটি কালভার্ট তৈরির জন্য গর্তও খোঁড়া হয়। কিন্তু, কালভার্টের পরিবর্তে কজওয়ের মতো রাস্তা করে দিয়েই এলাকা ছাড়ে নির্মাণকারী সংস্থা। এর ফলে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে ওই এলাকার বাসিন্দাদের। কারণ, ওই নিচু রাস্তাই এখন গ্রাম-সহ লাগোয়া মাঠভাসি জল নিকাশের একমাত্র পথ। বৃষ্টি হলেই টানা কয়েক দিন নিচু রাস্তাটি জলে ডুবে থাকে। অথচ ওই রাস্তা দিয়েই বাস-সহ সমস্ত ধরনের যানবাহন চলাচল করে। স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীদের ওই রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করতে হয়।
লোকপাড়ার একটি বেসরকারি স্কুলের গাড়ি চালান পূর্ণচন্দ্র হাজারা, অরুণ ভাণ্ডারীরা। তাঁরা বলছেন, ‘‘দিনে চার বার কচিকাঁচাদের নিয়ে আমাদের ওই রাস্তায় যাতায়াত করতে হয়। বৃষ্টি হলেই রসুনপুরের ওই নিচু রাস্তায় কোমর সমান জল দাঁড়িয়ে যায়। তখন গাড়ি পার করা চরম বিপজ্জনক হয়ে পড়ে।’’ লোকপাড়া কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী দুনার রেশমা খাতুন, লোকপাড়া হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী গলিয়ারার সুলেখা বাগদিরা বলছে, ‘‘সাইকেল কাঁধে নিয়ে ওই জায়গাটুকু পারাপার করতে গিয়ে আমাদের অস্বস্তির মুখে পড়তে হয়।’’ রসুনপুরের মনসাপ্রসাদ ঘোষ, প্লাবন মণ্ডলরা আবার জানান, কালভার্ট তৈরির জন্য গর্ত খুঁড়েও কেন প্রশাসন এমনটা করল তাঁরা বুঝতে পারছেন না। এর ফলে সারা বর্ষা তাঁদের দুর্ভোগ পোহাতে হবে। বিডিও-কে লিখিত ভাবে জানিয়েও সুরাহা হয়নি বলে তাঁদের অভিযোগ।

Advertisement

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ময়ূরেশ্বর ২ বিডিও সৈয়দ মাসুদুর রহমান বলেন, ‘‘অভিযোগের বিষয়টি জানা নেই। ওই এলাকার জনপ্রতিনিধিদের কাছে খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা পূর্ত (সড়ক) দফতরের সঙ্গে অবশ্যই কথা বলব।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement