—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
এসআইআরের শুনানিতে যাবতীয় নথিপত্র দেওয়ার পরেও চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়েছে, রাজ্য জুড়ে এমন অভিযোগ বহু মানুষের। তেমনই ছ’জন এ বার খোদ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন করলেন।
ভারতীয় হিসেবে সব নথি থাকা সত্ত্বেও ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গিয়েছে বলে দাবি হুগলির আরামবাগ পুর-শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের এক অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা-সহ ছ’জনের। অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা তৈয়েবুন্নেসা বেগম-সহ ছ’জনই নাম বাদের প্রতিবাদে সোমবার রাষ্ট্রপতির কাছে স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন করেন। তৈয়েবুন্নেসা বলেন, “বৈধ নাগরিক হয়েও কেন ভোটাধিকার মিলবে না? তার চেয়ে স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দিন রাষ্ট্রপতি।”
বিভিন্ন জেলায় এখনও বহু ভোটারের নাম ‘বিবেচনাধীন’। মুর্শিদাবাদে এই সংখ্যাটা ১২,৩৩৭। এই জেলায় মোট ‘বিবেচনাধীন’ ভোটার ছিলেন ১১ লক্ষ এক হাজার ১৪৫ জন। ১০ লক্ষ ৮৮ হাজার ৮০৮ জনের বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়েছে। বাকি ১২,৩৩৭ জনের ভাগ্য ঝুলে রয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরে আবার প্রায় এক হাজার ভোটার বিচারবিভাগীয় নিষ্পত্তির পরেও জানতে পারছেন না, তাঁরা যোগ্য না অযোগ্য। এঁদের বুথের অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়নি। ফলে এঁরা ট্রাইবুনালেও যেতে পারছেন না। পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণ বলেন, “ওই বিষয়টি যেখানে জানানোর, সেখানে জানিয়েছি।” জেলা নির্বাচন দফতর সূত্রে খবর, বিষয়টি সিইও দফতরের নজরে আনা হয়েছে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে