মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। —ফাইল চিত্র।
দুর্গা পুজো উপলক্ষে ২০১৮ সাল থেকে প্রায় প্রতিটি ক্লাবকে যে ঢালাও অনুদান (১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত) দেওয়ার ব্যবস্থা তৎকালীন রাজ্য সরকার করেছিল, তা নিয়ে গোড়া থেকেই সরব ছিল বিজেপি। এ বার এই অনুদানে রাশ টানার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “এটা তথ্য-সংস্কৃতি দফতরের বিষয়। আমার হাতেই এই দফতর আছে। এখন প্রতিমন্ত্রীও আছেন। আলোচনা করব। তবে আমার মনে হয় যাঁদের এই সামান্য অনুদান না-নিলেও পুজো করতে অসুবিধা হবে না, তাঁদের অনুদান দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু যে সমস্ত ছোট পুজো কমিটির এই অনুদান সত্যিই প্রয়োজন, সরকার তাদের সঙ্গে আছে। এই বছর আরও বেশি দুর্গা পুজো হবে। আরও বড় করে দুর্গা পুজো হবে।”
প্রসঙ্গত, কলকাতা-সহ রাজ্যের নানা প্রান্তে বড় পুজোগুলির কর্তৃত্ব অনেকাংশে এত দিন ছিল তৃণমূল কংগ্রেস নানা স্তরের নেতাদের হাতে। সরকার বদলের পরে, সেই নেতাদের অনেকেই বেপাত্তা, না-হলে বিভিন্ন অভিযোগে ধৃত। এই প্রেক্ষিতে বড় পুজোগুলির ভবিষ্যৎ, মুখ্যমন্ত্রীর বার্তার প্রভাবই বা তাতে কী পড়বে, তা নিয়ে জল্পনা রয়েছে। তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ অবশ্য বলেছেন, “প্রথমেই রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া দিতে চাই না। এর সুবিধা-অসুবিধা, দু’টো দিকই আছে। ফোরাম ফর দুর্গোৎসব এবং দুর্গোৎসব কমিটিগুলি বিষয়টি দেখুক। আমরা দরকারে তাদের সঙ্গে কথা বলব।” যদিও ফোরাম ফর দুর্গোৎসবের সভাপতি সন্দীপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যকে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি। কলকাতা, শিলিগুড়ি, কল্যাণী মিলিয়ে প্রায় ১৫০ পুজো আছে, যাদের বাজেট ৫০ লক্ষ থেকে এক কোটি টাকা বা তারও বেশি। তাদের এই অনুদান কাজে লাগত না। কিন্তু শহর, শহরতলি, গ্রাম মিলিয়ে প্রায় ৪৪ হাজারের কাছাকাছি পুজো কমিটি এই অনুদান পেত। যে পুজো কমিটিগুলির আর্থিক সামর্থ্য কম, তারা যেন সাহায্য পায়।”
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে